1. admin@dailysadhinbangladesh.com : admin :
  2. n.ganj.jasim@gmail.com : নিজস্ব প্রতিবেদক: : নিজস্ব প্রতিবেদক:
  3. sohag42000@gmail.com : দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ : দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ
  4. mamun.info_bd@yahoo.com : স্বাধীন বাংলাদেশ : স্বাধীন বাংলাদেশ
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৪১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :

করোনাকালীন সময়েও বন্ধ নেই শীতলক্ষ্যা নদীতে কাঁচপুর নৌ-পুলিশের চাঁদাবাজি

প্রশাসন
  • সময় : সোমবার, ২ আগস্ট, ২০২১
  • ৫৩ বার পঠিত
সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :
মহামারী করোনা কালীন সময়েও বন্ধ নেই শীতলক্ষ্যা নদীতে নৌ-পুলিশের চাঁদাবাজি। কাঁচপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল মালবাহী ট্রলার বিশেষ করে পাথরবাহী, বালুবাহী ট্রালারসহ বিভিন্ন নৌ-যান থেকে চাঁদা আদায় করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ইঞ্জিন চালিত ট্রলার দিয়ে প্রতিদিন ভোর ৫ টা থেকে দুপুর ১ টা ও বিকেল ৪ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করছে পুলিশ। কাঁচপুর সেতু থেকে গোদনাইল নং ঢাকেশ্বরী ঘাট পর্যন্ত নদী সীমানা থেকে পুলিশ চাঁদাবাজি করছে। চাঁদা না দিলে অমানবিক নির্যাতন করা হয় বলে একাধিক ট্রলার মালিক ও শ্রমিকরা অভিযোগ জানায়।
নৌ-পরিবহন শ্রমিকদের অভিযোগ, ছোট বড় যে কোন বালুবাহী, অথবা পাথরবাহী ট্রলার শীতলক্ষ্যা নদীর সিদ্ধিরগঞ্জ থানার গোদনাইল ২ নং ঘাট অতিক্রম করলেই নৌ-পুলিশকে চাঁদা দিতে হয়। ইঞ্জিন চালিত ট্রলার দিয়ে নৌ-পুলিশ বালুবাহী, পাথরবাহী ট্রালারের গতি রোধ করে চাঁদা আদায় করছে। বালুবাহী ছোট ট্রলার ২’শ ও বড় ট্রলার থেকে ৩’শ টাকা করে চাঁদা আদায় করছে পুলিশ। চাঁদা না দিলে তেল নিয়ে যাওয়া এমনকি মারধর করা হয় বলে একাধিক শ্রমিক অভিযোগ জানায়। সরেজমিনে শীতলক্ষ্যা নদীতে গিয়ে দেখা গেছে নৌ-পুলিশ কাঁচপুর ল্যান্ডিং এলাকায় বিভিন্ন বালুবাহী ট্রলার থেকে চাঁদা আদায় করছে। গণমাধ্যম কর্মীরা চাঁদা আদায়ের দৃশ্য ক্যামেরা বন্দি করলে পুলিশ দ্রুত ইঞ্জিন চালিত ট্রলার দিয়ে চলে যায়। গত ২দিন আগে সন্ধ্যায় জাতীয় পত্রিকার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা কিশোরগঞ্জ থেকে সিদ্ধিরগঞ্জে আসার সময় তাদের চোখে নৌ-পুলিশের চাদাবাজি ধরা পড়েছে। সকল শ্রেনীকে ম্যানেজ করে কাঁচপুর নৌ-ফাঁড়ির ২জন কনস্টেবলের নেতৃত্বে কয়েকজন পুলিশ সদস্য প্রতিদিন নদীতে চাঁদাবাজি করছে। বর্তমানে মহামরী করোনার দোহায় দিয়ে চাঁদাবাজি বন্ধ আছে বলে জানালেও প্রকৃত পক্ষে তা ছিলো মিথ্যে। বালুবাহী ট্রলার আসলেই পুলিশ তাদের ইঞ্জিন চালিত ট্রলার দিয়ে কাছে গিয়ে চাঁদা আদায় করে। চাঁদা আদায়ে সর্বাত্বক সহযোগীতা করছে পুলিশ বহনকারী ট্রলারের লোকজন। নদীর পাড়ের বাসিন্দা ও বিভিন্ন প্রত্যক্ষদর্শী ব্যবসায়ীরা জানায়, নদীতে লোংকর করে রাখা জাহাজের আড়ালে পুলিশ ট্রালার নিয়ে অপেক্ষা করে। কোন বালুবাহী ট্রলার আসলেই পুলিশ তাদের ইঞ্জিন চালিত ট্রলার দিয়ে ছুটে গিয়ে চাঁদা আদায় করছে। পুলিশের এই চাঁদাবাজি গত কয়েকমাস ধরে শুরু হয়েছে বলে তারা জানায়। নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, নৌ-পুলিশ দিনে বালুবাহী ট্রলার থেকে চাঁদা আদায় করলেও রাতে অন্যান্য নৌ-পরিবহন থেকে চাঁদা আদায় করছে। দিনের বেলায় চাদার পরিমান কম থাকলেও রাতে তা বেড়ে যায় দ্বিগুন পরিমানে। চাঁদা না দিলে বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করে পুলিশ। সূত্রটি জানায়, নৌ-পুলিশের সহযোগীতায় নদী দিয়ে মাদকের বড় বড় চালান আসা যাওয়া করছে। এসব মাদক পাচারকারীদের কাছ থেকে নৌ-পুলিশ মোটা অংকের উৎকোচ পাচ্ছে বলে সূত্রটির দাবি। পুলিশের চাঁদাবাজি থেকে রক্ষা পেতে জেলা পুলিশ সুপারসহ উর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন নৌ-পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা। এ বিষয়ে কাঁচপুর নৌ-ফাঁড়ির ইনচার্জ হুমায়ূন কবীরের সাথে কথা বলতে গেলে সাংবাদিকরা জানতে পারে তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ৪দিন ধরে ঢাকা পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তার অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করছেন এসআই আব্দুল আলীম। তিনি সাংবাদিকদের জানান, নদী পথে চাদাবাজি’র কোন অভিযোগ পেলে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবহিত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © ২০২১ দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ
Theme Customized BY Theme Park BD