গোদনাইল এনায়েতনগরের অশান্তির মুল কারণ প্রতারক এমরান হোসেন ## জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ চায় এলাকাবাসী

সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট:
সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন গোদনাইল এনায়েতনগরকে অশান্ত করে তুলেছে আজিজুল্লাহ কাজীর ছেলে এমরান হোসেন। ঘটাচ্ছে একের পর এক অপ্রীতিকর ঘটনা। কখনো নিজের অফিস ভাংচুরের নাটক করে মানুষকে হয়রানী, বোমার নাটক তৈরি করে পুলিশকে ভুল বুঝানো, কখনো জেলা যুবলীগ সদস্য স্থানীয় জনপ্রিয় কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে মিথ্যে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে আবার কখনো যুবলীগ কর্মীকে ডিবি পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করিয়ে। এখন আবার নিজের কর্মচারী দিয়ে ডিশ ব্যবসার অংশিদার স্থানীয় আ’লীগ যুবলীগ, ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রিত ডিশের লাইন কেটে দিয়ে এলাকার শান্ত পরিবেশ উত্তপ্ত করে তুলেছে। তার অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী ও রাজনৈতিক দলীয় নেতাকর্মীরা সম্মিলিতভাবে এমরানের বিরুদ্ধে মানববন্ধনও করেছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ দায়ের করা হলেও কিন্তু এখনো এমরানের অপতৎপরতা বন্ধ হয়নি। পুলিশও তার প্রতি নমনীয় থাকায় কথায় কথায় মামলার হুমকী, মিথ্যে মামলা দিয়ে হয়রানী করার অপচেষ্টায় সকলের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। ধৈর্য্যরে বাঁধ ভেঙ্গে গেলে ঘটতে পারে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা। গোদনাইল এনায়েতনগরের এলাকাবাসী তাদের অশান্তির মুল কারন এমরানের হাত থেকে পরিত্রান পেতে নারায়নগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি’র কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জানা যায়, গত জুন মাসের ২৪ তারিখ বৃহস্পতিবার রাতে এমরান তার ডিশের অফিস ভাংচুরের নাটক সাজায়। নাটক সাজায় বোমা সদৃশ বন্তু উদ্ধারের। উদ্দেশ্য পরের দিন শুক্রবার পুলিশ এনে এলাকার মুসল্লিদের ভয়ভীতির মধ্যে রাখার। পরবর্তীতে এমরানের এই নাটক সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের নিকট পরিস্কার হয়েছে বলে জানা গেছে। এই নাটকে সফল না হয়ে এমরান তার অপতৎপরতা চালাতে থাকে। সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় নাসিক ৮নং ওয়ার্ডের জনপ্রিয় কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে করে চাদাবাজির অভিযোগ। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় বসলে এমরান সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি’র সামনে কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে চাদাবাজির অভিযোগটি প্রমান করতে পারেনি। এরপর স্থানীয় যুবলীগ কর্মীকে একটি মাদক মামলায় গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। এই মামলায় গ্রেফতার করতে, যুবলীগ কর্মীর বাড়ী দেখিয়ে দিয়েও সফল হয়নি এমরান। পরবর্তীতে ডিবি পুলিশ সকল তথ্য নিয়ে বিষয়টি পরিস্কার হন। পরের দিন মহামান্য আদালতকে মামলার নাটক বুঝাতে সক্ষম হলে আদালতের দেয়া জামিনে বেরিয়ে আসে যুবলীগ কর্মী। এদিকে ডিশ ব্যবসা নিয়ে এমরান প্রতারনা করায় ডিশের পার্টনার সাইফুল প্রতারক এমরানের বিরুদ্ধে গত ১২ জুলাই সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি জিডি করে। এছাড়াও যুবলীগ কর্মীও এমরানের বিরুদ্ধে একটি জিডি করে। এমরানের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে গত ১৬জুলাই এনায়েতনগর এলাকাবাসী ও স্থানীয় আ’লীগ যুবলীগ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা জুম্মার নামাজের পর বিশাল মানববন্ধন করে। এদিকে সাইফুল তার ডিশের পার্টনার বুঝে নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় আ’লীগ যুবলীগ ছাত্রলীগ নেতাদের অংশিদারের মাধ্যমে ডিশের লাইন টানতে গেলে আজ ২৮ জুলাই বুধবার দুপুরে প্রতারক এমরানের নির্দেশে তার ডিশ মিস্ত্রী দিয়ে এনায়েতনগরে অংশিদারের ডিশের লাইন কেটে দিলে স্থানীয় আ’লীগ যুবলীগ ছাত্রলীগ নেতাদের তোপের মুখে পড়ে ডিশ মিস্ত্রি। খবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই শাহীন ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। তিনি উপস্থিত সকলের নিকট থেকে এমরানের প্রতারনার বিষয়টি জানতে পারেন। এমরানের এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় এলাকাবাসী সুলতান, মোবারক হোসেন, মাহবুবুর রহমান, সাইফুল ভুইয়া, নুর হোসেন সাংবাদিকদের জানায়, এমরান একজন প্রতারক ও মামলাবাজ। সে এলাকাবাসীকে কথায় কথায় মামলার ভয় দেখায়। তার বিরুদ্ধে স্থানীয় কিছু মাদক বিক্রেতাদের সেল্টারদাতার অভিযোগ রয়েছে। এলাকায় একের পর এক অশান্তি সৃস্টিকারী এমরানের উপর স্থানীয় এলাকাবাসী ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা এমরানের অশান্তি থেকে মুক্তি চায়। এজন্য এলাকাবাসী নারায়নগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি’র কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *