সিদ্ধিরগঞ্জে ফেন্সীখোরকে প্রতিষ্ঠিত করতে ব্যস্ত জাতীয় পত্রিকার সাংবাদিকতা নিয়ে নাসিকের শ্রেষ্ঠ কাউন্সিলর রুহুল মোল্লার ভাইরাল হওয়া স্ট্যাটার্স

সংবাদটি শেয়ার করুন:

স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট:
সিদ্ধিরগঞ্জে দুইজন জাতীয় পত্রিকার সাংবাদিক একজন ফেন্সীখোরকে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে নাসিকের শ্রেষ্ট ও জনপ্রিয় কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যে সংবাদ প্রকাশ করে যাচ্ছে। অথচ যাকে প্রতিষ্ঠিত করতে রুহুল আমীন মোল্লার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচেছ সেই ফেন্সীখোরের দ্বারা একসময় ভুক্তভোগী হয়েছিলো জাতীয় পত্রিকার সেই সকল সাংবাদিকরা। ফেন্সীখোরকে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে জাতীয় পত্রিকার সাংবাদিকদ্বয় তাদের পত্রিকাকে বিতর্কিত করছে। ফেন্সীখোরের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর বিশাল মানববন্ধন হলেও তাদের পত্রিকায় সংবাদটি স্থান পায়নি, অথচ মিথ্যে একটি পেন্টিং মামলায় যুবলীগ কর্মী মমিনুল আলম পুষনকে ডিবি পুলিশ আটক করলে পরে আদালতে তা বুঝতে পেরে জামিন দিলেও সেই আটকের সাংবাদটি জাতীয় পত্রিকায় ছাপিয়ে তা আবার প্রচারের জন্য সুন্দরভাবে কাটিং করে সাংবাদিক তার আইডিতে প্রচার করে। এই ধরনের অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে জনপ্রিয় কাউন্সিলর জেলা যুবলীগ সদস্য রুহুল আমীন মোল্লা তার ফেসবুক আইডি থেকে অপসাংবাদিকতা না করে সত্য ঘটনা উৎঘাটনে আহবান জানান। সাথে সাথে অসুস্থ্য সাংবাদিকের সুস্থ্যতা ও কামনা করেন। গতকাল সন্ধ্যায় রুহুল আমীন মোল্লা তার ফেসবুক পেইকে জাতীয় পত্রিকার দুই সাংবাদিকের উদ্দেশ্যে যে গঠনমুলক বক্তব্য তুলে ধরেছেন তা হুবহু পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হলো:
সিদ্ধিরগঞ্জের দুজন জাতীয় প্রএিকার সাংবাদিক কিছু অনৈতিকভাবে নিজ স্বার্থের জন্য তারা সত্য মিথ্যা না দেখে এমন কি তারাও এক সময় ঐ লোকের মাধ্যমে হয়রানি শিকার হয়ে আমার শরাপন্ন হয়ে ছিলো। এখন আবার তারা প্রতারকের কাছ থেকে হয়তো কিছু সুবিধা নিয়ে বিভিন্ন চক্রান্তে লিপ্ত হচ্ছে নিজে নিজেকে অনেক বড় সাংবাদিক মনে করে।
মিথ্যাকে প্রশ্রয় দিয়ে জাতীয় ভাবে নিউজ প্রচার করে ঐ পএিকার বিরুদ্ধে বিতর্ক সৃষ্টি করে যাচ্ছে। আমি সন্মানের সহিত বলছি কারো পক্ষে নয় সত্য তুলে ধরেন প্রকৃত কাহিনী কি ওটা আপনার ভালো করে জানা আছে।
সত্য আর প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরলে সন্মান কমবে না বরং বাড়বে। কেন আপনারা একটা মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা চালান। যখন আপনার বেলায় হয়েছিলো তখন ত অনেক বলেছিলেন কি ভাবে আপনি উদ্ধার পাবেন সহায়তা পাওয়ার জন্য অনেক ফোন করেছেন তখন আপনাকে বলেছিলাম আপনার শিশ্য আপনাকে এমন করে দিলো। অনেকে বলে অসুস্থ আপনি তাই সুস্থতা কামনা করি একবার ভাবেন ত কাল যদি মারা যান কি জবাব দিবেন আল্লাহ্ এর কাছে। সন্মানিত পেশায় থেকে সত্য প্রতিষ্ঠায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারলেন না এর চাইতে দূরভাগ্য আর কি হতে পারে আপনার জন্য। আপনি আমাকে চিনেন ভালো করে আর আমি ও আপনাকে চিনি ভালো করে। কিন্ত মানুষ কাকে কেমন চিনে এটা ঐ হলো আসল বিষয়। এলাকায় কিছু হলেই আপনি আমাকে জড়িয়ে নিউজ প্রচার করেন। কোন দিন কি আমার কাছে কিছু জানতে চেয়েছেন কেন আমার পেছনে লেগে আছেন। অনেক দিন ধরে দেখে আসছি, পেরেছেন কোন অপরাধ প্রমান করতে ইনশাআল্লাহ পারবেন ও না আপনি। কত লিখবেন লিখেন, ঐ পরোয়া আমি করি না। আমি তো আর মাসোয়ারা নিয়ে আমার দায়িত্ব পালন করি না। আশাকরি আমার লেখা আপনার নজরে আসবে আপনার। আপনি বলেন, আমি একজন কে গালা গালি করি কেন করেছি তা আপনি ভালো জানেন? প্রতারক যদি বার বার প্রতারনা করে আর প্রতারনার দায়ে গালি দিলে যদি অপরাদ হয় তাহলে এমন অপরাদ বার বার ঐ হতে পারে। আল্লাহ্ আপনার সুস্থতা ও সুস্থ জ্ঞানদান করুক। আমিন। কাউন্সিলর রুহুল আমীন মোল্লার ্এই বক্তব্যের পর পর তা ফেসবুকে মুহুর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকে অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদ করেন। যা উল্লেখ করতে গিয়ে আমাদের সাংবাদিকতা কলুষিত হয়। সচেতন মহলের দাবী কোন ফেন্সীখোর প্রতারককে প্রতিষ্ঠিত না করে তাকে বয়কট করা হোক। প্রেস ক্লাবকে মাদকের কবল থেকে কলংকমুক্ত করা হোক। টাকা তো মদ বিক্রেতাও কামায় দুধ বিক্রেতাও কামায়। আমরা যেনো দুধ বিক্রেতার সম্মানের কাতারে থাকি। আজ যাকে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে একজন সম্মানিত ব্যক্তিকে নাজেহাল করা হচ্ছে, কে জানে কাললে কে আবার আমাকে জামাত শিবির বলে, আমার কোটি টাকা আয়ের উৎস কি বলে বলে তদন্ত শুরু করে দেয়। তাই সুস্থ্যধারার সাংবাদিকতায় আমাদের ফিরে আসতে সচেতন সাংবাদিকেরা আহবান জানান।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *