তারা চেয়েছে হাতকড়া, আল্লাহ দিলেন গলায় ফুলের মালা ##গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার যুবলীগ কমী পুষণ ## জেলা সুযোগ্য পুলিশ সুপারের নিকট মামলাটি সুষ্ঠু তদন্তের আহবান

সংবাদটি শেয়ার করুন:

স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট:
সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এনায়েতনগরের যুবলীগ কর্মী মমিনুল আলম পুষনকে ফাঁসাতে দীর্ঘ ২মাস ধরে চলছিলো একটি চক্রের গভীর ষড়যন্ত্র। মিথ্যে মামলা কিংবা পেন্টিং মামলায় ফাঁসিয়ে সম্মনহানী করাই ছিলো চক্রটির আসল উদ্দেশ্য। অবশেষে ষড়যন্ত্রকারী চক্রটি সফল হয়েছে। ডিবি পুলিশের একটি মাদক মামলায় পুষণকে গ্রেফতার করা হয়। জানা যায়, যে মামলায় ডিবি পুলিশ পুষণকে গ্রেফতার করে সেই মামলার আসামীরা বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছে। ঘটনাটি গত ৩জুলাই কদমতলী এলাকার ঘটেছে বলে মামলা থেকে জানা যায়। ডিবি পুলিশ ইয়াবাসহ ৩জনকে গ্রেফতার করেছে। এ সময় নাকি পুষণ পালিয়ে গেছে। ৩জুলাইয়ের পর থেকে পুষণ নাকি পলাতক। সেই পলাতক আসামী পুষনকে গত শনিবার দুপুরে বাসা থেকে ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করে তাদের কার্যালয়ে নিয়ে যায়। যারা এই কাজটি করেছে তারা অনেকটাই কাঁচা কাজ করেছে বলে খোদ প্রশাসন থেকেই জানা গেছে। যে ফেন্সীখোর চক্রটির বিরুদ্ধে গত শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছে, মানববন্ধনের একদিন পরই পুষনকে ডিবি পুলিশ কতৃক আটক ঘটনাটি কি ইঙ্গিত করে। মানববন্ধনটি যাদের গায়ে লেগেছে তারাই পুষনের গ্রেফতারের নাটক সাজিয়েছে তা দিনের আলোর ন্যায় স্পষ্ট। গত কয়েকদিন আগে আদমজী ইপিজেড সামনে থেকে ৫ চাদাবাজকে র‌্যাব গ্রেফতার করে। র‌্যাবের দায়ের করা মামলা থেকে চাদাবাজদের ব্যাপারে জানা যায়, ৫ চাঁদাবাজ গ্রেফতারের সময় আরো ৭জন পালিয়ে যায়। ঘটনাটি ২৯ জুন। এরপরদিন ৩০জুন সংবাদটি প্রায় সকল পত্রিকায় ফলাও করে প্রকাশিত হয়। অথচ র‌্যাবের ঘটনার ৪দিন পর ৩জুলাই একই জায়গায় ডিবি পুলিশ ইয়াবাসহ ৩জন গ্রেফতার করলো পুষণ পালিয়ে গেলো তার কোন সংবাদ ৪জলাই পত্রিকায় আসলোনা। ঘটনাটি কি? যেখানে একটা পাদ দিলে পত্রিকায় এসে যায়, মানুষের ঘরের হাড়ির খবর পত্রিকায় এসে যায়, সেখানে পুষণ পালিয়ে গেলো অথচ পত্রিকায় না আসা মানে বুঝা যায় ডাল মে কুচ কালা হে? এরপর আসা যায়, পুষনের পালিয়ে থাকার কথা। মামলার পর থেকে পুষন পলাতক বলে যে কথা বলা হয়েছে তাও মিথ্যে। ৩ জুলাইয়ের পর থেকে পুষণ প্রকাশ্যে সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় ছিলো। বিভিন্ন কর্মসূচীতে ছিলো। থানা এলাকায়ও গিয়েছে। বাসায় ঘুমাচ্ছে। ডিবি পুলিশ পুষনকে দিনের বেলায় বাসা থেকে আটক করে নিয়ে যায়। যদি সে পলাতক আসামী হতো আর মাদক মামলার ঘটনায় পালিয়ে আসতে তাহলে প্রকাশ্যে থাকতো না, ঘরে ঘুমাতো না। এখানেও রয়েছে মিথ্যাচার। প্রকৃতপক্ষে যারা চেয়েছিলো পুষনকে অপমান অপদস্থ করতে তাদের সে চক্রান্ত ছিন্ন করে আল্লাহ পুষণকে করেছে সম্মানিত। ষড়যন্তকারী চক্রান্ত করে পুষনের হাতে পড়িয়েছে হাত করা, আর আল্লাহ জামিনে বাহির করে এলাকা মানুষের হাত থেকে দিয়েছে গলায় ফুলের মালা। গতকাল বিকালে পুষনকে কোর্টে উঠালে মহামান্য আদালত পুষনের বিরুদ্ধে মামলাটি বুঝতে পেরে পুষনকে জামিন মঞ্জুর করে। এদিকে পুষনের জামিনের খবরে এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়। তারা পুষনকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেয়। জামিনে মুক্ত হয়ে যুবলীগ কর্মী মমিনুল আলম পুষন জানান, আমাকে ফাঁসাতে ২মাস ধরে একটি চক্র আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছে। তারা আরো চক্রান্ত করছে। যে মামলায় আমাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে সে মামলার সাথে আমি জড়িত নই। গ্রেফতারকৃত কাউকে আমি চিনি না। আমি গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার। আমি জেলা পুলিশের সুযোগ্য জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম পিপিএম বার স্যারকে অনুরোধ করবে আমার বিরুদ্ধে ডিবি পুলিশের দায়ের করা মামলাটি সুষ্ঠু তদন্ত করা হোক যে আমি মামলার সাথে জড়িত কিনা। আমার সম্মান আমাকে ফিরিয়ে দিতে তিনিই পারেন। আমরা জানতে পেরেছে তিনি কখনো অন্যায়ে আপোষ করেননা। স্যারের উপর আমাদের অনেক আশা। আমি যদি অপরাধি হই আর তা যদি প্রমানিত হয়, তাহলে স্যার আমাকে যে শাস্তি দিবে আমি মাথা পেেেতা নিবো। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে যারা ষড়যন্ত্র করছে তারা যদি অপরাধী প্রমানিত হয় তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহন করতে জেলা পুলিশ সুপারকে অনুরোধ করবো।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *