সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রমান করতে পারেনি কাউন্সিলর রুহুলের মানহানী করার পরও বহাল তবিয়্যতে ফেন্সীখোর এমরান

সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট:
নাসিকের শ্রেষ্ঠ কাউন্সিলর হিসেবে খেতাবপ্রাপ্ত সম্মানীত জেলা যুবলীগের সদস্য রুহুল আমীন মোল্লা ও স্থানীয় যুবলীগ কর্মী মমিনুল আলম পুষনের বিরুদ্ধে ফেন্সীখোর এমরান যে চাঁদাবাজির অভিযোগ করেছে তা সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় পুলিশ ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে প্রমানিত করতে পারেনি অভিযোগ দায়েরকারী এমরান। কার খুটির জোরে ফেন্সীখোর এমরান এই ধরনের অভিযোগ করতে সাহস পেলো তা নিয়ে এখন এলাকায় সর্বত্র বলাবলি হচ্ছে। একজন সম্মানীয় কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে একজন ফেন্সীখোর চাদাবাজির অভিযোগ করলো আর পুলিশ তা বিবেচনা না করে গ্রহন করে নিলো। এখন আবার তা প্রমানও করতে পারলোনা। মাঝ দিয়ে কাউন্সিলর রুহুলের বিরুদ্ধে জাতীয় পত্রিকারসহ বিভিন্ন গনমাধ্যমে চাদাবাজির সংবাদ প্রকাশে করে যে সম্মানহানী করা হলো তার কি হবে? আসন্ন নাসিক নির্বাচনে কাউন্সিলর রুহুল আমীনের বিরুদ্ধে মানহানীকর চাদাবাজির অভিযোগটি অবশ্যই প্রভাব ফেলবে। যারা কাউন্সিলর রুহুলের বিরুদ্ধে নির্বাচন করবে তারা কাউন্সিলর রুহুলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করার একটি সুযোগ পেয়ে গেলো। যেমনটি বিভিন্ন সময় সুযোগ পেলেই বড় ভাই খোকন মোল্লার মাদকে সহায়তা, মহিলা কাউন্সিলর দিনার মিথ্যে অভিযোগের রেফারেন্স টেনে সংবাদ প্রকাশ করে থাকে বিভিন্ন সুবিধাবাদি সাংবাদিকরা। আর এজন্যই কাউন্সিলর রুহুল আমীনের উচিত মিথ্যে অভিযোগ দায়েরকারী ফেন্সী এমরানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া এমনটাই মনে করছেন সচেতন মহল। এদিকে কাউন্সিলর রুহুল আমীন মোল্লা ও মমিনুল আলম পুষনের বিরুদ্ধে চাদাবাজির মিথ্যে অভিযোগ করার পরও ফেন্সীখোর এমরান রয়েছে বহাল তবিয়্যতে। এ ব্যাপারে অবশ্য রুহুল আমীন বলেছেন যে, হয়রানী ও মানহানী করার কারনে ফেন্সীখোর এমরানের বিরুদ্ধে তিনি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। এজন্য কিছুটা সময় লাগতে পারে। ্এ ব্যাপারে যুবলীগ কর্মী পুষণ বলেন, আমরা বসে নেই। আমাদের সম্মানীয় কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ করেছে, আমরা বসে থাকবোনা। আমার নামে করেছে তাতে আমি কিছু মনে করি না। কিন্তু আমাদের কাউন্সিলরের নামে মিথ্যে চাদাবাজির অভিযোগ আমরা মানতে পারছিনা। ইতিমধ্যে এমরানের বিরুদ্ধে ২টি অভিযোগ হয়েছে। আরো হবে। মানববন্ধনও হবে। ওয়েট এন্ড সি।
জানা যায়, ফেন্সীখোর এমরান হোসেনের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত দুই পক্ষকে গত মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ডাকা হয়। দুই পক্ষের উত্থাপিত তথ্যে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রুহুল আমিন মোল্লার বিরুদ্ধে এমরান হোসেনের আনিত চাঁদাবাজির অভিযোগটি প্রমাণিত হয়নি। এসময় সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ সাইফুল ইসলামের ডাকে অভিযোগকারী এমরান হোসেন এবং অভিযুক্ত রুহুল আমিনসহ উভয়পক্ষের লোকজন উপস্থিত ছিলেন। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, নাসিক ১০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইফতেখার আলম খোকন, আওয়ামীলীগ নেতা মাহবুব আলম, ফেন্সীখোর এমরানের পক্ষে তার ক্লাবের কয়েকজন সাংবাদিকও উপস্থিত ছিলেন বলে থানা পুলিশ জানায়। এ ব্যাপারে কাউন্সিলর রুহুল আমিন মোল্লা বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগটি সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কর্মকর্তার সামনে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেনি এমরান। এছাড়া সে ব্যবসায়িক চুক্তি অনুযায়ী কোন সমাধানে আসতেও রাজি হচ্ছেনা। সে আমাদের মিথ্যা তথ্য প্রচার করে হয়রানী ও মানহানী করছে। প্রশাসনের তদন্তের প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তীতে এমরানের এমন কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে দুই পক্ষকে থানায় ডাকা হয়। পরে তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ডিশ ব্যবসার জন্য দুই পক্ষ চুক্তিবদ্ধ হয়। কিন্তু চুক্তি মোতাবেক বাদীপক্ষ বিবাদীদের লভ্যাংশ প্রদান না করায় তারা লভ্যাংশ দাবি করে। যা চাঁদা দাবির পর্যায়ে পড়েনা। বাদিপক্ষ কোন সমঝোতায় আসতে রাজি হচ্ছে না। তাছাড়া বাদীপক্ষ আরেকজনের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানকে নিজের বলে বিবাদীদের সাথে ব্যবসায়ীক চুক্তি করে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে। এ বিষয়ে দুই পক্ষকে আদালতের মাধ্যমে সমাধানের জন্য বলা হয়েছে।


সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *