বন্দর উপজেলার বিভিন্ন রাস্তার উপর দিয়ে ২৫/৩০ টি অবৈধ ড্রেজার পাইপ ## যানবাহন চলাচলে অসুবিধা

সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট

বন্দর উপজেলা এলাকায় ২৫/৩০ টি অবৈধ ড্রেজারের পাইপ রাস্তার উপর দিয়ে স্থাপনের কারনে যানবাহন চলাচলে অসুবিধা সহ ফসলি জমি ভরাট এর কারণে  ভারসাম্য হারাচ্ছে পরিবেশ। জনগনের প্রশ্ন কি কারণে এসকল ড্রেজারের পাইপ বহাল তবিয়তে আছে আর প্রশাসনের কারা এর হালুয়া-রুটির ভাগ পায় ?

গত দুইদিন আগে বন্দরে অবৈধ ড্রেজার স্থাপনের সময় ৭টি ড্রেজারের পাইপসহ ২ জনকে আটক করেছে বন্দর থানা পুলিশ। গত বুধবার দুপুরে বন্দর উপজেলার দক্ষিন ঘারমোড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে এদেরকে আটক করা হয়। ড্রেজারের পাইপ স্থাপনের সময় থানা পুলিশ যে ভূমিকা পালন করেছে তা ধন্যবাদ পাওয়ার। কিন্তু বন্দর উপজেলা এলাকায় অবৈধভাবে ২৫/৩০ টি ড্রেজার চলছে। তাদের অবৈধ ড্রেজারের অনুমতি কে দিয়েছ প্রশ্ন সচেতন মহলের। বন্দর উপজেলায় কৃষি জমি নেই বললেই চলে। বিগত চারদলীয় জোট সরকারের সময় হতে আদৌ পর্যন্ত অবৈধ ড্রেজারের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। ড্রেজারের অবৈধ কবল হতে বন্দরবাসীকে রক্ষা করতে স্থানীয় সাংসদ সেলিম ওসমান, বন্দর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ রশিদ, নির্বাহী কর্মকর্তা শুক্লা সরকারসহ বন্দর থানা প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেও কোন সুফল পায়নি বন্দরবাসী। আর এই ড্রেজারের ঘটনায় বন্দরের ফরাজীকান্দা, সোনাকান্দা, দড়িসোনাকান্দা, বেপারীপাড়াসহ ৬/৭ টি এলাকার একাধিক গ্রুপ দীর্ঘ দিন যাবত কঠোর অবস্থানে। মদনগঞ্জ-মদনপুর ১শ’ফুট সড়ককে কেন্দ্র করে গ্রুপের মাঝে একাধিকবার মারামারি হয়েছে। এ ড্রেজার নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংর্ঘষের আশংকায় সচেতন মহল। সরকার দলীয় আবার বিএনপির লোক নিয়ে জাতীয় পার্টির নেতাদের দল বড় করার প্রক্রিয়া, আবার তৃতীয় পক্ষের ইন্দন সবচেয়ে বেশি কাজ করছে। ড্রেজার স্থাপন নিয়ে অপত্তিকর কোন ঘটনা ঘটলে তা আইন শৃঙ্খলা অবনতিসহ স্থানীয় সাংসদসহ জনপ্রতিনিধিদের বদনাম হবে।

এছাড়াও বন্দরের মদনপুর, ধামগড়, মুসাপুর, বন্দর ইউনিয়ন এর বিভিন্ন সড়কে উপর দিয়ে ড্রেজার পাইপ নেওয়ার কারণে যানবাহন চলাচলে অসুবিধা ও ভোগান্তিতে পড়ছে হাজারো মানুষ। রাস্তা মধ্যে উঁচু করে বাধের মত করে নিচ দিয়ে পাইপ নিয়ে মদনগঞ্জ ঘাট হইতে মাধবপাশা বিল পর্যন্ত একটি ড্রেজারের পাইপ নিয়ে যাওয়া হয়েছে এখান দিয়ে বন্দর উপজেলা প্রশাসনের গাড়ি পারাপার হয় ফরাজিকান্দা রোড হয়ে এই পাইপের উপর দিয়ে,কিন্তু কি কারনে এই ড্রেজার পাইপের বিষয়ে  প্রশাসনের এই উদাসীনতা তা ভুক্তভোগী জনগণ গণমাধ্যম এর কাছে তাদের আকুতি ব্যক্ত করেন৷


সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *