লাকী বাজার ও সোনামিয়া মার্কেট থেকে আটক করা হলো ১০ জুয়াড়িকে, টাকা উদ্ধার ## দীর্ঘদিন জুয়ার আসর বসলেও প্রশাসনকে জানায়নি ফেন্সী এমরান

সংবাদটি শেয়ার করুন:

ফতুল্লা প্রতিনিধি
সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লায় পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে ১০ জন জুয়াড়িতে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো: ফতুল্লা মডেল থানার কুতুবপুর লাকী বাজার এলাকার মৃত কাদের মিস্ত্রীর পূত্র আলম হোসেন (৪৫), আসক আলীর পুত্র রাফেত আলী (৪৭), সিদ্ধিরগঞ্জ থানার শান্তি নগরের জহিরুল হকের পুত্র জাহিদুল ইসলাম অপু (৩৫) ও মোঃ মুন্না (২৮), একই থানার এনায়েতনগর এলাকার মৃত আব্দুর রহমানের পুত্র সুমন (৪২) ও মোঃ নাসির মিয়ার পুত্র ফজর আলী (৫০) মো. মাসুম বিল্লাহ (৩৬), মো. ফারুক হোসেন (৩৮), মো. আঃ রশিদ (৪৮), মো. হানিফ (৪০)।এ সময় দুই অবৈধ জুয়ার আস্তানা থেকে জুয়া খেলার সরঞ্জামাদিসহ ৬৪ হাজার ৫শ’ ৪০ টাকা উদ্ধার করে র‌্যাব। এদিকে সাংবাদিক সমাজের কলঙ্ক ফেন্সীখোর এমরানের ডিশের অফিসের নাকের ডোগায় এই ধরনের অপরাধ সংঘঠিত হলেও প্রশাসনকে অবহিত করেনি এমরান বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। পুলিশের সাথে দহরম সম্পর্ক থাকলেও সামাজিক ব্যাধি দুর না করে আরো সেল্টার দেয়ার অভিযোগ রয়েছে এমরানের বিরুদ্ধে। শুধু জুয়া নয়, মাদক, নারী ব্যবসাও হচ্ছে ফেন্সীখোর এমরানের নাকের ডগায়। বেশ কয়েক মাস আগে এমরানের নাকের ডগায় একটি ফ্ল্যাট বাসা থেকে পতিতা আটক করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ। জানা যায়, গ্রেফতারকৃতরা গতকাল সন্ধ্যায় জামিনে এলাকায় ফিরে এসেছে।
গতকাল সন্ধ্যায় র‌্যাব-১১’র সদর দপ্তর থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সোমবার রাত ১২ টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের সোনামিয়া বাজার ও পৌনে ১০টার দিকে ফতুল্লার কুতুবপুর লাকী বাজার এলাকায় অবৈধ জুয়ার আস্তানায় অভিযান চালিয়ে জুয়া খেলার সরঞ্জামাদি.৬৪ হাজার ৫শ’ ৪০ টাকাসহ ওই উদ্ধার ১০ জন জুয়াড়িতে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও অনুসন্ধানে জানা যায়, কুতুবপুর লাকী বাজার এবং সিদ্ধিরগঞ্জের সোনামিয়া বাজার এলাকায় কখনো গোপনে আবার কখনো কখনো প্রকাশ্যে চলতো এই জুয়ার আসর। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ, পশ্চিম এনায়েতনগর এলাকায় জাতীয় সাংবাদিক ফেন্সী এমরান থাকলেও তার নাকের ডোগায় দীর্ঘদিন যাবত পশ্চিম এনায়েতনগর ও কুতুবপুর লাকী বাজার এলাকার কয়েকটি বাড়িতে প্রতিরাতে জুয়ার আসর বসে। ফেন্সী এমরানের নলেজে এ সকল অপরাধ জানা থাকলেও আজ পর্যন্ত প্রশাসনকে বিষয়গুলো জানায়নি। ফলে রহস্যের সৃস্টি হয়েছে। এর পেছনে ফেন্সী এমরানের মদদ থাকতে পারে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। বিষযটি খতিয়ে দেখতে এলাকাবাসী প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *