নারায়নগঞ্জ মহানগর যবদলের কমিটিতে স্থান পেতে চলছে তোড়জোড় পদ পেতে লাফালাফি, পেয়ে শুরু হয় ……….

সংবাদটি শেয়ার করুন:

স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট:
নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের কমিটি ঘোষনা খুবই শীঘ্রই বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়। তাই কমিটিতে স্থান পেতে শুরু হয়েছে নেতাদের লাফালাফি। কেউ কেউ পদ পেতে মুল দল ছেড়ে দিচ্ছে। কাউকে আবার ছোট করে কেন্দ্রে প্রচার চালানো হচ্ছে। কিন্তু কমিটিতে পদ পেতে যুবদল নেতাদের যেভাবে লাফালাফি দেখা যায়, কমিটি গঠন হবার হর সেই নেতাদের মধ্যে পাদাপাদি শুরু হয়ে যায় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে। পারেনা পূর্নাঙ্গ কমিটি করতে। পারেনা থানা পর্যায়ের কমিটি করতে, পারেনা ওয়ার্ড পর্যায়ের কমিটি করতে। এমনকি সরকার বিরোধী কোন কর্মসূচীও তারা সফল করতে পারেনা। এই সকল কথাগুলো খোদ যুবদলের মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মুখ থেকেই উঠে আসছে। একটু পিছনে গেলে দেখা যায়, ২০১৯ সালের ৫ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের ২০১ সদস্য বিশিষ্ট একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। এর আগে ২০১৮ সালের ২০১৮ সালের ১৯ অক্টোবর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদকে সভাপতি ও মমতাজ উদ্দীন মন্তুকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি আংশিক কমিটি গঠন করা হয়। পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে সর্বাত্মক ভুমিকা প্রভাব দেখান সভাপতি খোরশেদ ও সেক্রেটারি মন্তু। এ নিয়ে বাকিদের মাঝে তুমুল ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। যার বিরোধীতা করে পাল্টাপাল্টি সভা সমাবেশও করা হয়। যার ফলে বিরোধীতায় পড়ে গঠন করা হয়নি থানা পর্যায়ের যুবদলের কমিটি। গঠন করা হয়নি ওয়ার্ডের কমিটিও। যার ফলে ব্যর্থতার দায় নিয়ে চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় যুবদল। কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণার পর নতুন করে আহ্বায়ক কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে কেন্দ্রীয় যুবদল। যার লক্ষ্যে ১২ জুন কেন্দ্রীয় যুবদল নারায়ণগঞ্জের নেতাদের নিয়ে কর্মীসভা করেছেন। কর্মী সভায় মাঠ পর্যায়ের মতামত শোনা হয়। কিন্তু কাকে কোন পদ দেয়া হবে সে বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানা যায়। তবে নতুন কমিটিতে পরিবর্তন আসছে। ছাত্রদলের নেতারা এবার যুবদলে স্থান পাবে। সাবেক ছাত্রদলে কয়েকজন নেতাও যুবদলের নেতৃত্বে আসছে বলে জানা গেছে। এদিকে যুবদলের পদ পেতে বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেছেন মনিরুল ইসলাম সজল। তার করাটাই স্বাভাবিক। কারন তিনি ছাত্রদল থেকে যুবদল করবেন এটাই নিয়ম। কারন যুবদলের তার বন্ধু খোরশেদ থাকছেনা। তাই এবার সজল যুবদলের পদ পেতে লবিং করছে। যুবদলের নেতৃত্বে মাজহারুল ইসলাম জোসেফকে চাচ্ছে অনেকে। এছাড়াও মনোয়ার হোসেন শোখন, রানা মজিব, সাগর প্রধান, ছাত্রদলের কয়েকজন সিনিয়র নেতার নামও শোনা যাচ্ছে। আর এই পদ পেতে শুরু হয়েছে জোর লবিং। কিন্তু পদ পেতে যত লবিং চলে পদ পাওয়ার পর তাদেরকে আর দেখা যায়না। কর্মসূচী পালনে তারা ফটোশেসন, আর ফেসবুক ছাড়া কোন গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করতে দেখা যায়না। তাই অনেকে তীর্যক মন্তব্য করে বলেন, পদ পেতে যুবদল নেতাদের যেভাবে লাফালাফি করতে দেখা যায়, পায় পাওয়ার পর সরকাররের সামনে কর্মসূচী পালনে তাদের পাদাপাদি শুরু হয়ে যায়। এটাই বর্তমান যুবদল তথা বিএনপি’র অবস্থা।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *