ইসলামী আন্দোলন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার দ্বায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার সময়সীমা বৃদ্ধিতে আমরা হতাশ

সংবাদটি শেয়ার করুন:

মো: সোহেল রানা:
কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ শিক্ষা জীবন রক্ষার্থে অবিলম্বে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেবার জন্য পীর সাহেব চরমোনাই সরকারের প্রতি যে দাবী জানিয়েছেন তা অবিলম্বে মেনে নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্টান খুলে দেয়ার আহবান জানিয়েছেন পীর সাহেব চরমোনাইয়ের লড়াকু সৈনিক ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সংগ্রামী সভাপতি বিল্লাল হোসেন ও সেক্রেটারী মাও: আবদুল্লাহ আল-ফারুক ।
গতকাল এক প্রতিক্রিয়ায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সংগ্রামী সভাপতি বিল্লাল হোসেন ও সেক্রেটারী মাও: আবদুল্লাহ আল-ফারুক বলেন, আমরা জানতে পেরেছি সরকার শিক্ষা-প্রতিষ্টান খুলে দেয়ার সময়সীমা আগামী ৩০জুন পর্যন্ত বর্ধিত করেছে। যা শুনে আমরা হতাশ। এরফলে অভিভাবকদের মাঝে ক্ষোভের সৃস্টি হয়েছে। কারা সরকারের নিকট স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা বন্ধের ম্যাসেজ পাঠাচ্ছেন তা আমাদের বোধগম্য নয়। মহামারী করোনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা। দেড় বছর ধরে স্কুল-কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ।মাঝখানে কিছুদিন কওমি মাদরাসা চালু থাকলেও তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তার উপরে স্কুল-কলেজ মাদরাসার সব পরীক্ষা বন্ধ। অটো পাস দিয়ে সব চালিয়ে নিলো সরকার। এ বছরেও পরীক্ষা হয় কিনা তাও স্পষ্ট না। আজকে শিক্ষার্থীরা অটোপাসের আশায় বসে আছে। তারা পড়াশুনার অজুহাতে অনলাইনে বিভিন্ন গেমসে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম বেড়েছে। তার সাথে সাথে অনেক শিক্ষার্থী মাদকাসক্ত হয়েছে। আজকে এই সরকার আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করতেই এ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। স্কুল-কলেজ খুলতে বললেই তাদের টাল-বাহানা শুরু হয়। অথচ মার্কেট, গার্মেন্টস, গণপরিবহণগুলো খুলতে তাদের কোনো সংকোচ হয় না। এই ষড়যন্ত্রে কোনো ভিনেদেশি চক্র কাজ করছে কিনা তা আমাদের খতিয়ে দেখতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে মুহাম্মদ বিল্লাল হোসেন বলেন, সরকার সাধারণ মানুষদের নিয়ে তালবাহানা শুরু করছে। সরকার দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকেও ধ্বংস করতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে বললেই তাদের টাল বাহানা শুরু হয়ে যায়। করোনাও বেড়ে যায়। অথচ দেশের অন্যান্য সকল প্রতিষ্ঠান, গণপরিবহন, মার্কেট খোলা শুধু মাত্র স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা বাদে। তাই সরকারের কাছে আমাদের দাবী থাকবে অবিলম্বে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেবার। কিন্তু সরকার সেদিকে কর্নপাত না করে বার বার সময় বাড়িয়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় ধ্বস ফেলে দিয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *