র‌্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের সফলতার এক বছর

সংবাদটি শেয়ার করুন:

্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (্যাব) মহাপরিচালকচৌধুরী আবদুল্লাহ আলমামুন। যার নিরলসকর্মতৎপরতার কারণে দেশের সার্বিক আইন শৃংখলাপরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকার পাশাপাশি দেশ সরকারেরভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে এবং সাথে সাথে ্যাবকে উন্নিতকরেছে এক ঈর্ষনীয় সাফল্যের শিখরে। গত বছরের ০৮এপ্রিল রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েরজননিরাপত্তা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে ্যাবেরদায়িত্ব দেয় সরকার। দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি পুলিশেরঅপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডির প্রধানের দায়িত্ব পালনকরছিলেন। এরই মধ্যে গত ০৮ এপ্রিল ্যাব প্রধানহিসেবে দায়িত্বের এক বছর পূর্ণ করেন। দেশেরআইনশৃঙ্খলা রক্ষা, করোনাভাইরাস সহ প্রতিটি চ্যালেঞ্জমোকাবিলায় করে
একে একে ভারী করছেন অর্জনের পাল্লা। উজ্জ্বল প্রজ্ঞাময় চৈতন্যের প্রজ্বালনে উদ্ভাসিত করেছেন নিজেকে।ভয়ংকর অদৃশ্য জীবাণু করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে সাধারণমানুষের মূল্যবান প্রাণ সুরক্ষায় সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে তারনিজ বাহিনীর অকুতোভয় বীর সদস্যদের আত্মত্যাগ, মানবিকতার গল্প এখন সবার মুখে মুখে। যা অমরঅব্যয়হয়েই ঠাঁই নেবে ইতিহাসে। ্যাবের নেতৃত্বে যোগ্যঅভিভাবকের ভূমিকার কারণে যেমন আলোচিত হয়েছেন, তেমনি সংকটময় পরিস্থিতি পেশাদারিত্ব দৃঢ় মনোবলনিয়ে সামাল দিতেও বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন তিনি।্যাব প্রধান হিসেবে এক বছরে তারপারফরম্যান্সসবারনজর কেড়েছে। গভীর আস্থার প্রতিদান দিয়েছেনপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সময়ে ্যাবকে কোনো রকমনেতিবাচক সমালোচনার মুখে পড়তে হয়নি। শক্ত হাতেকরোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করা ছাড়াও পবিত্র মাহেরমজানে কঠোরভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ, ঈদ ঘিরেআইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, কঠোর বাস্তবমুখী পদক্ষেপে জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিতে না পারা, মানব পাচারকারীদের আইনের আওতায় এনে নেটওয়ার্কলন্ডভন্ড করে দেওয়া, পরিবহনে সব ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধেঅসাধ্য সাধনের পদক্ষেপ, নিজ বাহিনীর অনিয়মদুর্নীতিবন্ধে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা, কিশোর অপরাধীদেরনিয়ন্ত্রণসহ সব  বিষয়েই স্বকীয় সাফল্য দেখিয়েছেন্যাবের মহাপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন। তারনেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযানে সফলতা অর্জন করেছে্যাব। ্যাবের মাদকবিরোধী অভিযানে দেশের বিভিন্নস্থানে অনেক বড় বড় মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হয়েছেন।আবার অনেকে অভিযানের সময় গুলি বিনিময়ে নিহতহয়েছেন। বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদেরগ্রেফতার আইনের আওতায় আনতে কার্যকর যুগোপযোগী ভূমিকাও পালন করেন এই ্যাব প্রধান।ফলে বর্তমানে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা প্রায় শূন্যের কোঠায়নেমে এসেছে। জানা যায়, ১৯৬৪ সালের ১২ জানুয়ারিসুনামগঞ্জের শ্রীহেলা গ্রামের মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণকরেন আবদুল্লাহ আল মামুন। তার গ্রামের বাড়িসুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার শ্রীহাইলে। ১৯৮৬ সালেবিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে পুলিশেরসহকারী সুপারিনটেনডেন্ট (এএসপি) হিসেবে যোগ দেন।গত বছরের মে মাসে তিনি অতিরিক্ত আইজিপি পদেপদোন্নতি পান। এর আগে তিনি ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজিছিলেন।কর্মজীবনে আবদুল্লাহ আল মামুন পুলিশ সদরদপ্তর, মেট্রোপলিটন পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নএবং বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটের দায়িত্বপালন করেছেন। এছাড়া জাতিসংঘ শান্তি মিশনে কাজকরার মাধ্যমে তিনি বিশ্ব শান্তিরক্ষার জন্য উজ্জ্বল অবদানরেখেছেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর সার্কেল এএসপি, সিরাজগঞ্জের রাইগনজ সার্কেল এএসপি, চাঁদপুরেরহাজীগঞ্জ সার্কেল এএসপি, চাঁদপুরের অতিরিক্ত এসপি, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার(ডিএমপি), আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের এএসপি, এডিসি(ডিএমপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়ানীলফামারী জেলার সুপারিনটেনডেন্ট পুলিশ (ডিপি), ডিএমপির ডেপুটি কমিশনার (ডিসি), এআইজি(এস্টাবলিশমেন্ট) এবং ঢাকা সদর দপ্তরের এআইজি(গোপনীয়) হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। পরে ঢাকা রেঞ্জেরঅতিরিক্ত ডিআইজি ডিআইজি হন। অসামান্যঅবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক(পিপিএম) পেয়েছেন


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *