রূপগঞ্জে বড় হজপাতা চাষে ঝুকছে কৃষক

সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট:
কেউ বলে বিলাতি ধনেপাতা, কেউ বলে বনঢুলা আবার কেউ বলে বড় হজপাতা। একই জিনিসের হরেক রকম নাম। এ পাতার কড়া সুগন্ধ যুক্ত হওয়ায়, ভর্তা, ভাজি, সালাদ, সবজিসহ যেকোনো খাবারে আলাদা স্বাদ তৈরি হয়। পাতা চ্যাপ্টা হওয়ায় ফলন খুব বেশি। এ ধনেপাতা উৎপাদনে খরচের চেয়ে আয় বেশি হওয়ায় রূপগঞ্জের দাউদপুর ইউনিয়নের মাদবপুর, কাজীরটেক, হানকুর, আমদিয়া, বেলদী, জিন্দা, বইলদা, কুলিয়াদী, বীর হাটাব, কালনী, ভোলাব ইউনিয়নের চারিতালুক, আতলাপুর, বাসুন্দা এলাকায় বিলাতি এই ধনেপাতার ব্যাপক চাষ হচ্ছে।
এ ব্যাপারে কাজীরটেক এলাকা কৃষক ভোলানাথ বলেন, দেশি হজপাতা শেষ হওয়ার পর পরই এ পাতা বাজারে আসে। বর্ষা মৌসুমে দেশি পাতা পাওয়া যায় না বলে এর চাহিদাও থাকে বেশি।
তাছাড়া ফলন ভালো এবং এর থেকে বীজ সংগ্রহ করে আলাদা বাড়তি উপার্জনের কারণে আমরা এই মৌসুমে এর চাষাবাদ করে থাকি। এ ছাড়া টানা ৪ মাস ফলন পাওয়া যায় আর খরচের তুলনায় লাভ হয় ভালো।
শুধু ভোলানাথ নয় কাজীরটেক এলাকার মোক্তার হোসেন, বাচ্চু মিয়া, মনু মিয়া, জালালউদ্দিন, মাদবপুর এলাকার মনির, হিরণ, মাজু মিয়া, হানকুর এলাকার ইব্রাহীম মিয়া, আব্দুল রহিম, জিন্দা এলাকার সেকান্দর হোসেন, আমদিয়া এলাকার শহীদ ভূঁইয়াসহ অনেকে এ বিলাতি ধনেপাতা চাষ করে ভালো উপার্জন করছেন।
দাউদপুর ইউনিয়নের হানকুর এলাকার ইব্রাহীম মিয়া জানান, প্রায় ১০ বছর ধরে এ বিলাতি ধনেপাতার চাষাবাদ করে আসছি। বর্তমানে ৫ বিঘা জমিতে ধনেপাতা চাষাবাদ করেছি। প্রতি বিঘা জমিতে ধনেপাতা চাষ করতে খরচ যায় প্রায় আড়াই থেকে ৩ লাখ টাকা। বিক্রি করা যায় প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা। আমাদের এলাকা থেকে প্রতিদিন বিলাতি ধনেপাতা রাজধানীর কাওরান বাজার, শ্যামবাজার, যাত্রাবাড়ী, নারায়গঞ্জ সদর ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় পাইকারদের মাধ্যমে সাধারণ ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে যায়।
এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফাতিহা নুর বলেন, বিলাতি ধনেপাতার চাহিদা সব জায়গায় রয়েছে। অন্য ফসলের তুলনায় এই ফসল চাষাবাদ লাভজনক।


সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *