আমরা চাঁদাবাজ নই, র‌্যাবের কাছে তা পরিস্কার হয়েছে

সংবাদটি শেয়ার করুন:

স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট:
ট্যাংকলরী মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ গোদনাইল পদ্মা শাখার নেতৃবৃন্দ বলেছেন, আমরা চাঁদাবাজ নই, র‌্যাবের কাছে বিষয়টি পরিস্কার করা হয়েছে। আর এটা অভিযান পরিচালনাকারী র‌্যার-১১’র টিম বুঝতে পেরেছেন। আমরা ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়ন গোদনাইল পদ্মা শাখা রেজিষ্ট্রেশনভুক্ত সংগঠন। যার রেজি নং বি-১৭৫৩। আমরা কেন্দ্রের নির্দেশে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে কাগজ জমা দিয়ে বৈধভাবে শ্রমিক কল্যান ফান্ড তৈরীর জন্য অন্যান্য ডিপোর ন্যায় গোদনাইল পদ্মা ডিপোর ট্যাংকলরী থেকে অর্থ সংগ্রহ করে থাকি। আমাদের সাথে রয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার, ডিস্ট্রিবিউটরস এজেন্টস এন্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স এসোসিয়েশন গোদনাইল পদ্মা শাখার সংগঠন। আমরা মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ গোদনাইল পদ্মা শাখা সর্ম্পূর্ন বৈধভাবে কেন্দ্রের নির্দেশে প্রতি ট্যাংকলরী থেকে ৭০টাকা উত্তোলন করে থাকি। এই অর্থ স্বেচ্ছায় আমাদের ট্যাংকলরী মালিকরা প্রদান করে থাকে। এরজন্য কারো কাছে জোর-জবস্তি করা হয়না। গত ৩০মে র‌্যাব-১১ এর অভিযানে গোদনাইল বার্মাশীল থেকে ৪জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের সময় অন্যান্যদের সাথে ট্যাংকলরী মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের জন্য অর্থ সংগ্রহকারী ক্যাশিয়ার জসীম উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়। এটা ভুল বুঝাবুঝির জন্যই হয়েছে। ট্যাংকলরী মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ গোদনাইল পদ্মা শাখার নেতৃবৃন্দ তাদের ক্যাশিয়ার জসীমের মুক্তি দাবী করে বলেন, জসীমকে গ্রেফতারের পর আমরা র‌্যাবের সাথে যোগাযোগ করে আমরা আমাদের সংগঠনের বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শণ করি। র‌্যাবের কর্মকর্তারা বুঝতে সক্ষম হন যে, ট্যাংকলরী শ্রমিক ফেডারেশন, শ্রমিক ইউনিয়ন ও মালিক সমিতির নামে গাড়ী প্রতি ৭০ টাকা চাঁদা উঠানোর নিয়ম রয়েছে। যা পরবর্তীতে র‌্যাবের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে স্পস্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে প্রমানিত হয়, আমরা চাঁদাবাজ নই। জানা যায়, র‌্যাবের অভিযানে বেনামে অবৈধ ৩টি সংগঠনের চাঁদার রশিদ বই পায়। বই যাচাই করে দেখেন যে, যে তিনটি সংগঠন চাঁদা উত্তোলন করছেন তাদের কোন বৈধতা নেই। যার মধ্যে ছিলো ঢাকা বিভাগীয় ট্যাংকলরী মালিক সমিতি। এই সমিতির সভাপতি অকিল ভুইয়া ও সেক্রেটারী দেলোয়ার শেখ। এই সমিতি ট্যাংকলরী প্রতি ২০টাকা উত্তোলন করে যার কোন অনুমতি নেই। এছাড়াও রয়েছে ট্যাংকলরী ওনার্স এসোসিয়েশন যার কেন্দ্রিয় সভাপতি কাবুল সাহেব। পদ্মা শাখার সভাপতি আনোয়ার হোসেন মেহেদী ও সেক্রেটারী হাজী মাসুম। এই সংগঠনের পক্ষ থেকে ২০টাকা করে গাড়ী প্রতি উত্তোলন করা হয়। এই টাকা উত্তোলনের কোন বৈধতা নেই। এছাড়াও বাগপাড়া মাদ্রাসার জন্য ১০টাকা করে চাদা উত্তোলন করা হয়। এরও কোন বৈধতা নেই। এই সকল অবৈধ সংগঠনের সাথে বৈধ সংগঠন একত্রিত হয়ে চাদা উত্তোলন করতে গিয়ে র‌্যাবের অভিযানে ভুল বুঝাবুঞি হয়। অর্থ উত্তোলনের ১২০ টাকার মধ্যে ট্যাংকলরী প্রতি আমাদের ৭০টাকা বৈধ হলেও অবৈধ ছিলো অন্যান্য সংগঠনের ৫০টাকা উত্তোলন। আর এ কথা র‌্যাবের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে পরিস্কার করেছেন বলে পরবর্তীতে সংবাদে জানা যায়।
ট্যাংকলরী মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ গোদনাইল পদ্মা শাখার নেতৃবৃন্দ বলেন,এরপরও কয়েকটি অনলাইনে আমাদের বৈধ সংগঠন শ্রমিক ইউনিয়ন, শ্রমিক ফেডারেশন ও মালিক সমিতিকে চাঁদাবাজ বলে উল্লেখ করেছে। যা মিথ্যে বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত। আমরা এই ধরনের অপপ্রচারে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার, ডিস্ট্রিবিউটরস এজেন্টস এন্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স এসোসিয়েশন গোদনাইল পদ্মা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী বলেন, কেন্দ্রের নির্দেশেই বৈধভাবে বিভিন্ন ডিপোর ন্যায় গোদনাইল পদ্মা ডিপোতেও মালিক সমিতির জন্য অর্থ উত্তোলন করা হয়। এটা কোন চাঁদাবাজি নয়। সংগঠন পরিচালনাসহ বিভিন্ন সমাজকল্যান কাজে এ অর্থ ব্যয় করা হয়। ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়ন রেজি নং বি-১৭৫৩ গোদনাইল পদ্মা শাখার সভাপতি হাজী জাহিদ হোসেন বলেন, আমরা শ্রমিকদের কল্যানে কেন্দ্রের নির্দেশে বৈধভাবে ট্যাংকলরী থেকে অর্থ উত্তোলন করে থাকি। এটা কোন চাঁদাবাজি নয়। শ্রমিকদের কল্যানে এ অর্থ তোলা হয়। অথচ আমাদেরকে যারা চাঁদাবাজ বলেন, তারা না জেনে বলেন। আমরা আমাদের নামে অপপ্রচারে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *