বন্দরের বন্ধ টোটাল ফ্যাশন লিঃ চালুসহ ১৭ দফা দাবিতে শহরে শ্রমিক সমাবেশ

সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট:
বন্ধ টোটাল ফ্যাশন লিঃ চালু, শ্রমিকদের নামে দায়ের করা ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, শ্রমিকের উপর হামলাকারী মালিকের সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার, করোনাকালে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধসহ ১৭ দফা দাবিতে বন্দরে অবস্থিত টোটাল ফ্যাশন লিঃ এর শ্রমিকরা সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। গত শনিবার (২২ মে) বেলা ১২ টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে এ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত গয়।
কারখানার শ্রমিক পুতুলীর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি আবু নাঈম খান বিপ্লব, গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি সেলিম মাহমুদ, রি-রোলিং স্টিল মিলস শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক এস এম কাদির, গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শরীফ, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সভাপতি রুহুল আমিন সোহাগ, রূপগঞ্জ উপজেলার সভাপতি মোঃ সোহেল, কাঁচপুর শিল্পাঞ্চল শাখার সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন, কারখানার শ্রমিক সানাউল্লাহ, আল-আমিন, মরিয়ম, শাহ আলম প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ বলেন, টোটাল ফ্যাশন লিঃ গার্মেন্টসে ঈদের আগে শেষ কর্মদিবসে ছুটির সময় ১২ জন শ্রমিক ছাঁটাই করে। ঈদের পরে শ্রমিকদের সংকট সমস্যা নিরসনে দাবিনামা দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল যে নেতৃত্বকারী শ্রমিকরা তাদেরকেই ঈদের আগে শেষ বেলায় ছাঁটাই করা হয়। ঈদের পরে কর্মরত শ্রমিকরা দাবিনামা দেয়। এদের মধ্যে অবশিষ্ট যারা নেতৃত্বকারী শ্রমিক তাদের ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে জ¦রের মিথ্যা অজুহাত দিয়ে কারখানা ঢুকতে দিচ্ছিল না। এতে শ্রমিকরা প্রতিবাদ করায় কারখানার সিকিউরিটি গার্ড, স্টাফ এবং বহিরাগত মালিকের সন্ত্রাসীরা মারধর করে রক্তাক্ত করে।
প্রায় ২০ জন শ্রমিক আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ, সোনারগাঁ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মদনপুরে বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নেয়। এক পর্যায়ে মালিক ১৩(১) ধারায় কারখানা বন্ধ ঘোষণা করলে শ্রমিকরা কারখানার সামনে শ্রমিক মারধরের ঘটনার বিচার দাবি করে অবস্থান কর্মসূচী পালন করে।
এ সময় বিকেএমইএ এর সভাপতি নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনের সাংসদ সেলিম ওসমান টেলিফোনে শ্রমিকদের ১৭ দফা নিয়ে ২৩ মে আলোচনা করে সংকট নিরসনের আশ^াস দিলে শ্রমিকরা অবস্থান প্রত্যাহার করে। কিন্তু বিকেএমইএ সভাপতি দ্বায়িত্ব নেয়ার পরেও কারখানার মালিক ২২ মে বন্দর থানায় কয়েকশ শ্রমিককে আসামী করে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, বাস্তবে শ্রমিকদের ১৭ দফা নিয়ে আলোচনা না করা এবং শ্রমিকদের উপর অন্যায় অত্যাচার আড়াল করার জন্যই মালিক এই ষড়যন্ত্রের পথ নিয়েছে।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে বন্ধ কারখানা চালু, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, শ্রমিকদের উপর হামলাকারীদের গ্রেফতার, করোনাকালে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধসহ ১৭ দফা মেনে নেয়ার দাবি জানান এবং বিকেএমইএ সভাপতিকে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সংকট নিরসনের আহ্বান জানান।


সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *