আসামীরা আত্নগোপনে আছে: ওসি ফতুল্লা

সংবাদটি শেয়ার করুন:

স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট:
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৩নং ওয়াড কাউন্সিলর ও মহানগর যুবদলের সভাপতি মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ ও ফেরদৌস রেহানা ওরফে মুসকান রেহানার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করে বিপাকে পড়েছেন মামলার বাদী সাঈদা আক্তার শিউলি। মামলা প্রত্যাহারের জন্য তাকে সামাজিক ভাবে চাপ প্রয়োগসহ নিকটাত্নীয় স্বজনদের মাধ্যমে হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমন পরিস্থিতিতে অনেকটাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন মামলার বাদী সাঈদা আক্তার। তিনি দ্রুত মামলার আসামীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। তবে পুলিশ মামলা দায়েরের ৪৮ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও আসামীদের গ্রেপ্তার করতে পারেননি।
মামলার বাদী সাঈদা আক্তার জানান, আসামীরা এখনো গ্রেফতার হয়নি। ফলে পলাতক থেকে তারা নানা ভাবে বিভিন্ন লোক মারফত মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে।
তিনি আরো বলেন তার পরিচিতজনদের অনেকেই তাকে বলেছেন যে, মামলা তুলে না নিলে বিবাদীরা তাকে যে কোন সময় ক্ষতি সাধন করতে পারে। শুধু তাই নয় পথে ঘাটে চলতে ফিরতে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিতও করতে পারে। তাদেরই কেউ কেউ তাকে উপদেশ দিচ্ছেন সাবধানে চলাফেরা করার। তবে তিনি এসকল কিছুকে আমলে না নিয়ে ন্যায় বিচারের আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রসাশনের প্রতি আসামীদের অতি দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবী জানিয়েছেন।
ফতুল্লা মডেল থানার ইনচার্জ রকিবুজ্জামান জানান, আসামীদের গ্রেপ্তার করার জন্য একাধিক জায়গায় অভিযান চালানো হয়েছে। আসামীরা আত্নগোপনে আছে। তবে অতি শীঘ্রই তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হবে।
উল্লেখ্য যে, রোববার (১৬ মে) রাতে সাঈদা আক্তার বাদী হয়ে কাউন্সিলর খোরশেদ ও ফেরদৌস রেহানা ওরফে মুসকান রেহানাকে আসামী করে ফতুল্লা মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেন।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *