শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে যাত্রীর চাপ ১৫ টি ফেরি চলাচলে ঘাট স্বাভাবিক, কমেছে দুর্ভোগ

সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম প্রবেশপথ শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাট থেকে ১৫টি ছোট-বড় ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। তবে ব্যক্তিগত গাড়ি, প্রাইভেকার, মোটরসাইকেল ও পরিবহন পারাপার করা হচ্ছে না। ফেরি চলাচল থাকায় ঘাটে যাত্রীদের ঢল অব্যাহত থাকলেও যাত্রীদের আর দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। এতে যাত্রীদের কমেছে ভোগান্তি। এ দিকে শিমুলিয়া ঘাটের প্রবেশমুখগুলোর বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ, বিজিবির চেকপোস্ট রয়েছে। এসব চেকপোস্ট থেকে ব্যক্তিগত গাড়ি ঘাটে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না। ফলে হেঁটেই যাত্রীদেরকে ঘাটে যেতে দেখা গেছে।
গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকেই ঘাটে জড়ো হতে শুরু করে দক্ষিণবঙ্গের ঈদযাত্রীরা। চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় পন্টুনে নোঙর করার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীরা উঠে পড়ছেন ফেরিতে। তবে গত শুক্রবার থেকে টানা তিনদিনের মতো মাত্রাতিরিক্ত ভিড় করে ঘাটে অপেক্ষায় থাকতে দেখা যায়নি যাত্রীদের। সহজেই ওঠা যাচ্ছিল ফেরিতে।
বরিশালগামী রোকেয়া ও সুজন দুই দম্পতি জানান, সেহারী খেয়ে ফজরের নামায পড়ে ঢাকা থেকে ঘাটের উদ্দ্যেশে রওনা হই। ঘাটে আসার পথে অনেক ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। তিনটা গাড়িতে পরিবর্তন করে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে আসছি এখানে। তবে এখন অনেক খুশি লাগছে ফেরিতে উঠতে পেরে। ভাবছিলাম ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে ঘাট এলাকায়। তবে ঘাটে এসে এক মিনিটও অপেক্ষা করতে হয়নি। এখন ফেরি পার হতে পারলেই হবে। রকিবুল আহসান জানান, গতবছর ঢাকায় ঈদ করেছি। আমার মা বৃদ্ধ। তাই মায়ের কাছে যাচ্ছি। মায়ের সাথে ঈদ করার জন্য। প্রায় তিনকিলোমিটার হেঁটে আসছি ঘাটে। পুলিশ গাড়ি ভিতরে প্রবেশ করতে দেয়নি। রহিমা খাতুন বলছেন এভাবে ফেরি চলাচল করতে আমাদের আর ভোগান্তিতে পড়তে হবে না। তবে গণ পরিবহনে যদি সামাজিক দূরত্ব বজায় রেছে চলাচলের আর্দেশ দিতো সরকার তাহলে আমাদের এতা কষ্ট করে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে চলাচল করতে হতো না।
বিআইডবিøউটিসি শিমুলিয়া ঘাটের টার্মিনাল ইনচার্জ আল ফয়সাল জানান, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌ-রুটের বহরে থেকে থাকা ১৭টি ফেরির মধ্যে বর্তমানে ১৫টি ফেরি চলাচল করছে। যাত্রী ভোগান্তি লাঘব ও পণ্যবাহী যানবাহন পারাপারে গত সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে এ নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক করার ঘোষণা দেয় বিআইডবিøউটিসি। সে নির্দেশে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
মাওয়া ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর (টিআই) হিলাল উদ্দিন জানান, প্রতিদিনের মতোই ঘাটে যাত্রী চাপ রয়েছে। তবে ১৫টি ফেরি চলাচল করায় যাত্রীদের ঘাটে অপেক্ষা করতে হয় না। আমার ঘাটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রেখেছি। যাত্রী, অ্যাম্বলেন্স, পণ্যবাহী ট্রাক, পিকাআপ ও লাশবাহী গাড়ির সাথে কোন গাড়ি আসলে তাদের যেতে দেওয়া হয়। এছাড়া কোন ব্যক্তিগত গাড়ি দেওয়া হচ্ছে না। ঘাটের মোড় থেকেই ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান সকারে বৃষ্টির সময় প্রায় ২০টি মতো ব্যক্তিগত গাড়ি ঘাটে চলে আসছিলো। আমরা সেগুলোকে এখন ফেরিতে উঠতে দেইনি #


সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *