পূর্বেই বলেছিলেন সেলিম ওসমান

সংবাদটি শেয়ার করুন:

ডেস্ক রিপোর্ট:
নারায়ণগঞ্জ জেলার মধ্যে অন্যতম পাঠক গ্রহন যোগ্য পত্রিকায় নারায়ণগঞ্জ জেলার দানবীর নামে খ্যাত এ কে এম সেলিম ওসমানকে কুটুক্তি করে ‘দানবীরের বাক্স ঠুস’ এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ করায় পুরো জেলা জুড়ে উঠেছে তীব্র নিন্দার ঝড়।
যে মানুষটি একাধারে জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা হয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার উন্নয়নে একের পর উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছে। তৈরী করছে স্কুলকলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, রাস্তাঘাট, কালভার্ট নির্মাণ সহ হাসপাতালের উন্নয়নে কাজ। তাছাড়া বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে তার কাছে কেউ সাহায্যের জন্য গেলে তিনি কাউকে খালি হাতে ফিরিয়ে দিচ্ছেন না। অনেকের চিকিৎসার দায়িত্বও নিয়েছেন এ দানবীর মানুষটা তাকে নিয়ে নোংরাভাবে সংবাদ প্রচারে সংবাদ মাধ্যম থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন দলীয় নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
উল্লেখ্য যে নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি স্থানীয় পত্রিকায় দানবীর সেলিম ওসমানের এ বছর ধরে চলমান দুই বছর তার এলাকার মানুষ ও জনপ্রতিনিধিদের কোন প্রকার ত্রান না দেওয়ায় উঠেছে কথা। কারন তিনি নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনের প্রয়াত সাংসদ সদস্য এ কে এম নাসিম ওসমান মারা গেলে তার আসনে দায়িত্বে আসার পর থেকে প্রতিবার একটি বক্সে চাল, ডাল, চিনি, সেমাই, দুধ সহ অন্যান্য ঈদ সামগ্রী তার নির্বাচনী এলাকায় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে বিতরণ করে আসছে। কিন্তু চলমান মহামারি করোনা ভাইরাসের কারনে দুই বছর যাবৎ কোন প্রকার ত্রান বিতরণ করা হচ্ছে না। তাই নিয়ে তার এলাকার ভোটার ও জনপ্রতিনিধিরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ নিয়ে একটি স্থানীয় পত্রিকায় নিউজ আছে সেলিম ওসমানকে নিয়ে। করোনার মহামারির কারনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সকলেই আর্থিক ক্ষতির সম্মূখীন হয়েছে। এই ক্ষতি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো কাটিয়ে উঠতে পারে নাই। তাই অন্য বছরের তুলনায় এ বছর সেলিম ওসমান জনগনদের কোন প্রকার ত্রান দিয়ে সহযোগীতা করতে পারেনি।
এর আগে গত ২২ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট খানপুর হাসপাতাল পরিদর্শন করতে গিয়ে সাধারণ মানুষদের উদ্দেশ্য সেলিম ওসমান বলেন, গতবারের মত চাল-ডাল বিতরণ এবং কোনো আর্থিক সহায়তা দেয়া যাবে না এবছর। ইতিমধ্যে সরকার লক্ষ লক্ষ মানুষকে আর্থিক বরাদ্দ দিয়েছেন এবং বিভিন্ন জায়গায় চাল-ডাল বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। আমাদের থেকে গতবারের মত সহযোগিতার আশা যাতে কেউ না করে। মানুষের কাজ চালানোর জন্যে সব ধরনের ব্যবসা চলছে। আগে একজন রিকশাওয়ালা রিকশা চালাতে পারতো না। এখন ঠিকভাবেই চালাতে পারছে। শুধুমাত্র আমাদের লোকাল বাসগুলো বন্ধ রয়েছে। কয়েকদিন পরে সেগুলোও অর্ধেক চালানো হবে। আইন আরও কঠোর হবে এবং ধীরে ধীরে লকডাউন উঠে যাবে। সবাইকে সচেতন থাকার অনুরোধ করছি। সবাই মাস্ক পড়বেন। এছাড়াও তিনি ব্যবসায়ীক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েও কোভিড আক্রান্ত রোগীদের জন্য নির্ধারিত নারায়ণগঞ্জ ৩শ’ শয্যা হাসপাতালে চুক্তি শেষ হওয়ার পরও স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত ৪০ আউটসোর্সিং কর্মচারীকে নিজের তহবিল থেকে দুই মাসের বেতন সমপরিমাণ অর্থ প্রায় ১২ লাখ টাকা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছেন। একই সাথে তাদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য দু’টি মাইক্রোবাস প্রদান করেন। গত ৩০ এপ্রিল সেলিম ওসমানের বড় ভাই নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনের প্রয়াত সাংসদ সদস্য নাসিম ওসমানের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকীতে ২০০ দুস্থ পরিবারের মাঝে অর্থ সহায়তা প্রদান করে।প্রতিটি পরিবারের মাঝে পাঁচ হাজার করে মোট দশ লাখ টাকা অর্থ সহায়তা করা হয়। এত কিছুর পরও স্থানীয় পত্রিকায় ‘দানবীর বাক্স ঠুস’নামে নিউজ প্রকাশ করায় দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ পত্রিকার প্রকাশক মোঃআশ্রাফ উদ্দিন সংবাদের প্রতি তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *