এমপি সেলিম ওসমানকে নিয়ে ব্যাঙ্গার্থ সংবাদের প্রতিবাদে আশ্রাফ উদ্দিন বলেন// ঠুস শব্দটি সাংবাদিতার ভাষা হতে পারে না

সংবাদটি শেয়ার করুন:

বিশেষ প্রতিনিধি:
গতকাল ঢাকা থেকে প্রকাশিত না.গঞ্জে পরিচালিত একটি দৈনিকে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমানকে নিয়ে একটি সমালোচনামুলক সংবাদ প্রকাশ করেছেন। যেখানে শিরোনামে ছিলো দানবীরের বাক্স ঠুস! সংবাদটি দৃস্টিগোচর হয়েছে বাংলাদেশ ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়ন রেজি নং বি ১৭৫৩ কেন্দ্রিয় কমিটির যুগ্ন-সম্পাদক উদীয়মান তরুন ব্যবসায়ী দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ পত্রিকার প্রকাশক আশরাফ উদ্দিনের। তিনি একজন ব্যবসায়ী হিসাবে সংবাদের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি গতকাল স্বাধীন বাংলাদেশ পত্রিকায় এক বিবৃতিতে বলেন, এমপি সেলিম ওসমানকে নিয়ে পত্রিকাটি যে শব্দ ব্যবহার করেছেন তা সাংবাদিকতার ভাষা হতে পারেনা। ঠুস শব্দটি ব্যঙ্গার্থভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। বর্তমান মহামারী করোনা পরিস্থিতিতে সারা বিশ্ব যখন স্তব্দ, বিশ্ব অর্থনীতির গতি যেখানে নিন্মমুখী, লক্ষ লক্ষ মানুষ যেখানে বেকারের দ্বারপ্রান্তে সেখানে সেই পরিস্থিতি বিবেচনা না করে তিরস্কারমুলক ঠুস শব্দ ব্যবহার আমাদের ব্যাথিত করেছে। এই শব্দটি সাংবাদিকদের শব্দ নাকি কারো মুখের শিখানো বুলি। কারো সুবিধা তৈরি করতে গিয়ে একজন সিআইপি’র অপমান মান্যকর নয়। এর আগেও এই ধরনের তিরস্কারমুলক শব্দ না.গঞ্জের অনেকের মুখ থেকে শোনা গেছে। যার কঠোর জবাব সেলিম ওসমানও দিয়েছিলেন। আমাদের মনে হয়, ঠুস শব্দটি পূর্বের সমালোচনার এক সুত্রে গাথা। বর্তমানে সময়ে না.গঞ্জের আরো অনেক দানবীর রয়েছে যারা প্রকাশ্যে দানের বাক্স নিয়ে জনগনের পাশে দাড়াতে দেখা যায়নি সত্যি। তাই বলেকি তারা দানের হাত প্রসারিত করেনি। দান দেখিয়েও করা যায় আবার না দেখিয়েও করা যায়। এমপি সেলিম ওসমান পূর্বেও একটি অনুষ্টানে বলেছিলেন এবছর মহামারী করোনার কারনে অনেক কিছুই করা সম্ভব হবেনা। যার কথা হয়তো সাংবাদিবকরা মনে নাই। তাই জনগনের দোহাই দিয়ে একজন শীর্ষস্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে কটাক্ষ করে ঠুস শব্দটি ব্যবহার করতে তারা দ্বিধা করলোনা। আমার জানা মতে, অনেক বড় বড় শিল্প প্রতিষ্টান প্রতিবছর যে সকল কর্মসূচী গ্রহন করেছিলো এবছর মহামারীর কারনে অনেক কর্মসূচীই তারা পালন করেনি। অনেক হেভিওয়েট নেতাকে এবার কোন ধরনের কর্মসূচীতে দেখা যায়নি। যার নেপথ্যে রয়েছে অনেক ধরাবাঁধা। সেলিম ওসমানের দানবীরের কথা নতুন করে বলার অবকাশ রাখে না। তিনি ব্যবসায়ী খাতায় নাম লিখানোর পর থেকে বর্তমান করোনাকালীন সময়ে ৩’শ শয্যা বিশিস্ট হাসপাতালে সর্বশেষ যে আশ্বাস প্রদান সহায়তার হাত দিয়ে রেখেছেন তা উল্লেখ করে দানবীরকে ছোট করার সাহস আমার নেই। সর্বশেষ সাংসদ সেলিম ওসমানকে নিয়ে ব্যঙ্গার্থ ও কটাক্ষ শব্দ ঠুসের ব্যবহারে তীব্র নিন্দা জানাই। এই ধরনের সংবাদে উৎসাহ বৃৃদ্ধি নয়, আরো উৎসাহ হ্রাস হয়। তাই আগামীতে সমালোচনা নয় সহযোগীতার মাধ্যমে এই ধরনের মানুষকে উৎসাহীত করতে সকলের প্রতি উদাত্ত আহবান করবো।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *