আশরাফ উদ্দিনকে হেফাজতের আসামী বানানোর অপচেষ্টা করীদের সম্মানার্থে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচীতে আশরাফের কিছু খন্ড চিত্র উৎসর্গ

সংবাদটি শেয়ার করুন:

স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট :
বাংলাদেশ ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়ন গোদনাইল মেঘনা শাখার সংগ্রামী সভাপতি ও দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ পত্রিকার প্রকাশক আশরাফ উদ্দিন জড়িয়ে গত ২৮মার্চ যাত্রাবাড়ী থানায় হেফাজতের নাশকতার মামলায় গ্রেফতারী পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট) জারি’ সংক্রান্ত একটি মিথ্যে ও হয়রানীমুলক ঘটনাকে না.গঞ্জের বিভিন্ন পত্রিকাও অনলাইনে গুরুত্বের সাথে প্রকাশ করেন। সম্মানীত সাংবাদিকগন মিথ্যে ঘটনাটি এমনভাবে প্রকাশ করেছেন যেনো সাধারন মানুষ মনে করে ঘটনাটি সত্য। অর্থাৎ আশরাফ উদ্দিন হেফাজতের সাথে সম্পৃক্ত থাকায় তার নামে যাত্রাবাড়ী থানায় হেফাজতের মামলা হয়েছে এমনটি প্রমান করার অপচেষ্টা চালান। সে মামলায় তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি হয়েছে বলেও প্রচার করা হয়। এই ধরনের মিথ্যে সংবাদ দেখে খোদ হেফাজতের নেতারাও আশ্বর্য হয়ে গেছেন হেসেছেন। এই ঘটনায় সাংবাদিকদের কাছে প্রকাশক আশরাফ উদ্দিনের প্রশ্ন. এই ধরনের মিথ্যে সংবাদ প্রচার কি সাংবাদিকতার মধ্যে পড়ে। সাংবাদিকদের কাজ হলো ঘটনার কারন বাহির করা অর্থাৎ রহস্য উৎঘাটন করা। কিন্তু সাংবাদিকরা একটুও জানতে চেষ্টা করেনি কেন আমার নামে হেফাজতের মামলা হবে? আমি কি হেফাজত করি? আমি কি হেফাজতের নেতাদের টাকা দিয়ে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেই? আমি থাকি সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায়। আমার নামে যাত্রাবাড়ী থানায় হেফাজতের মামলা হবে কেন? এই প্রশ্নগুলো খুঁজতে গেলেই তারা পেয়ে যেতো তাদের সংবাদের উত্তর। তখন তারা পেয়ে যেতো আমি অপপ্রচার কিংরা ঘড়যন্ত্র কিংবা হয়রানীর শিকার হয়েছি। একটি মহল আমাকে হেয় করার জন্য আমার বিরুদ্ধে এই ধরনের মিথ্যে অপপ্রচার করছে। কিন্তু তারা তা করেনি। তারা সাংবাদিকতাকে অপসাংবাদিকতায় নিয়ে গেছে। তারা সাধারন মানুষকে উপকারের পরিবর্তে হয়রানী আরো বাড়ীয়ে দিয়েছে। তারা দুস্কৃতিকারীদের সাথে মিশে সামান্য কিছু সুবিধার বিনিময়ে প্রমান করতে চাইছিলো যে, আমি হেফাজতের সাথে জড়িত। যাত্রাবাড়ী থানায় যে মামলা হয়েছে তাতে আমি আসামী। আর তাই আমার নামে ওয়ারেন্ট ইস্যু হয়েছে। তাইতো তারা সংবাদে উল্লেখ করেছে, আমি ২০০৯ সাল থেকে আ’লীগের সাথে সম্পৃক্ত থেকে নিজেকে যুবলীগের নেতা বানানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি। যে সকল অপপ্রচারকারী সাংবাদিকরা আমাকে হেফাজত মামলায় মামলার আসামী বানানো চেষ্টা করে সংবাদ প্রকাশ করেছে তাদের কাছে জানতে চাই, যুবলীগের কি হেফাজতের সাথে সম্পর্ক আছে নাকি। বরং হেফাজতের সাথে যুবলীগের দা-কুড়াল সম্পর্ক। আমার সাথে কোন হেফাজত নেতার সম্পর্ক আছে তার প্রমান দেখান। তাদের সাথে মোবাইলে কথা হয়েছে, ছবি আছে এমন কোন প্রমান সাংবাদিকদের নিকট আছে কি? যদি না থাকে তাহলে কেন আমার নামে মিথ্যে অপপ্রচার করলেন। আমকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করলেন। আমার সুনাম নষ্ট করলেন। তাই অপপ্রচারকারী সাংবাদিক ভাইদের সম্মানার্থে তাদের সংবাদ অনুযায়ী আমার ২০০৯সালের পর থেকে আ’লীগের বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকান্ড, প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মসূচীতে অংশগ্রহনের কিছু ছবি উৎসর্গ করলাম। আশা করি এই ছবি বলে দিবে আমি কোন ধরনের রাজনীতির সাথে জড়িত। এই ছবিই বলে দিবে আমার বিরুদ্ধে হেফাজতের মামলায় ওয়ারেন্ট ইস্যু নিয়ে যে সংবাদ প্রকাশ করেছেন তা মিথ্যে অপপচার আর অপবাদ ছাড়া কিছু নয়। পাশাপাশি প্রশাসনকে বলবো যারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচার চালিয়ে হেফাজতের আসামী বানানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে তাদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হোক।
ছবি নং ১.পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি সাবেক নৌ মন্ত্রী শাজাহান খান এমপি না.গঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি অনুষ্টানে আসলে সেখানে দাওয়াতি মেহমান হিসাবে ছিলেন আশরাফ উদ্দিন। ২নং ছবিতে ২০১৪ সালে জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগষ্ট পালনে এমপি শামীম ওসমানের সাথে আশরাফ উদ্দিন। ৩নং ছবিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার পক্ষে এমপি শামীম ওসমানের সহ-ধর্মীনী লিপি ওসমানের নির্বাচনী প্রচারনা অনুষ্টানে । ৪নং ছবিতে যুবলীগের কেন্দ্রিয় সেক্রেটারী নির্বাচিত হবার পর নিখিলকে ফুলের শুভেচ্ছা অনুষ্টানে। ৫নং ছবিতে ঢাকা রেঞ্চের ডিআইজি হাবিবুর রহমান না.গঞ্জে ই-ট্রাফিক উদ্ধোধন অনুষ্টানে দাওয়াতি মেহমান হিসাবে উপস্থিথ ছিলেন দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ পত্রিকার প্রকাশক আশরাফ উদ্দিন। ৬নং ছবিতে না.গঞ্জের সাবেক পুলিশ সুপার বর্তমানে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি ড. মুহিত যখন সিদ্ধিরগঞ্জ নতুন থানার ভিত্তি প্রস্তুর স্থাপন করেন তখন দাওয়াতি মেহমান ছিলেন আশরাফ উদ্দিন। ৭নং ছবিতে ডিআইজি আসাদুজ্জামান পদ্মা ডিপো পরিদর্শনে আসলে তাকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান। ৮নং ছবিতে এ বছর না.গঞ্জ বার নির্বাচনে এমপি শামীম ওসমানের সাথে। ৯নং ছবিতে নাসিক নির্বাচনের পর আলহাজ্ব মতিউর রহমান মতি প্যানেল মেয়র নির্বাচিত হবার পর রাইফেল ক্লাবে। ১০নং ছবিতে ২০১৩ সালে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের মাজার জিয়ারতে আ’লীগ নেতৃবৃন্দের সাথে আশরাফ উদ্দিন। ১১নং ছবিতে না.গঞ্জ-৪ আসনের উন্নয়নের রুপকার জননেতা একেএম শামীম ওসমানের সাথে ২০১৩ সালের পর থেকে আ’লীগের বিভিন্ন কর্মসুচীতে সক্রিয়ভাবে উপস্থিত ছিলেন আশরাফ উদ্দিন। ১২নং ছবিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারনা অনুষ্টানে আলহাজ্ব মতিসহ অন্যান্যদের সাথে আশরাফ উদ্দিন। ১৩নং ছবিতে মহান বিজয় দিবস অনুষ্ঠানে এমপি শামীম ওসমান ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আ’লীগ নেতাদের সাথে। ১৪নং ছবিতে ২০১৪ সালের আগষ্টে জাতীয় শোক র‌্যালীতে আ’লীগের নেতাকর্মীদের সাথে। ১৫নং ছবিতে মহানগর আ’লীগের যুগ্ন-সম্পাদক শাহ-নিজাম ও আলহাজ্ব মতির নেতৃত্বে বিজয় র‌্যালীতে। ১৬সং ছবিতে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠানে এমপি শামীম ওসমানের সাথে। এভাবে আ’লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে আ’লীগের বিভিন্ন কর্মসূচী অংশ গ্রহন করে রাজনীতির সাথে সক্রিয় ভুমিকা পালন করে আসছেন আশরাফ উদ্দিন। তাকে কিভাবে হেফাজতের মামলার আসামী করার অপচেষ্টা করার চক্রান্তে একটি চক্র জড়িত তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবী আজ সিদ্ধিরগঞ্জের সর্ব মহলে।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *