আশরাফের নেতৃত্বে এসও এলাকায় হরতাল বিরোধী মিছিলে হামলা চালিয়েছিলো সিরাজ মন্ডলের নেতৃত্বে তার লোকজন ## ভিডিও ফুটেজে প্রমানিত কারা সরকার বিরোধী চক্রান্তে জড়িত

সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট :
আজ থেকে ৮বছর আগে আ’লীগ সরকার পতন করার লক্ষে বিএনপি-জামাতের ডাকা হরতালের বিরুদ্ধে হরতাল বিরোধী মিছিল করেছিলেন বাংলাদেশ ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়ন গোদনাইল মেঘনা শাখার সংগ্রামী সভাপতি দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ পত্রিকার প্রকাশক আশরাফ উদ্দিন। গত ১৫মার্চ ২০১৩ সাল সকাল ১০টায় গোদনাইল এসও ডিপো গেইট এলাকা থেকে আশরাফের নেতৃত্বে হরতাল বিরোধী মিছিল বাহির হলে তাতে হামলায় চালায় তৎকালীন নাসিক ৬নং ওয়ার্ডের রানিং কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম মন্ডলের নেতৃত্বে তার চাচাতো ভাই শ্রমিকদলের নেতা এসএম আসলাম, আপন ভাই জামাত নেতা মামুন মন্ডল, কিবরিয়া, স্বপন মন্ডলসহ আরো কয়েকজন। তখন এসএমআসলাম সিদ্ধিরগঞ্জ থানা শ্রমিকদলের সভাপতি ছিলো, মামুন মন্ডল জামাত-শিবিরের নেতা ছিলো, কিবরিয়া শ্রমিকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলো আর স্বপন মন্ডলের বিরুদ্ধে ছিলো জামাত শিবিরের অর্থ যোগানদাতার অভিযোগ। আসলাম, মামুন কিবরিয়ার নেতৃত্বে মিছিলকারীদের উপর হামলায় যুবলীগ নেতা সাদ্দাম হোসেনসহ আরো কয়েকজন আহত হয়। হরতাল বিরোধী মিছিলে তৎকালীন রানিং কাউন্সিলর সিরাজ মন্ডলের লোকদের হামলার প্রতিবাদে এসও ষ্ট্যান্ডে না.গঞ্জ-আদমজী সড়ক অবরোধ করে আ’লীগ যুবলীগের লোকজন। পরবর্তীতে পুলিশ এসে হামলাকারীদের গ্রেফতারের আশ্বাস প্রদান করলে অবরোধকারীরা রাস্তা থেকে সরে যায়। এই ঘটনায় হরতাল বিরোধী মিছিলে হামলাকারীদের নামে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয় যার নাম্বার ১৫(৩)২০১৩ইং। এই ঘটনাটি তৎকালীন স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকা সহ বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে গুরুত্বসহকারে প্রচার করা হয়। বিশেষ করে এখনো আর টিভিতে সংবাদটি খুজে পাওয়া গেছে। যেখানে দেখা যায় পুলিশের উপস্থিতিতে আশরাফের হরতাল বিরোধী মিছিলে সিরাজ মন্ডলের নেতৃত্বে তার ভাই জামাত নেতা মামুন ও কিবরিয়া লাঠি দিয়ে হরতালকারীদের পিটিয়ে আহত করে রাস্তায় ফেলে রেখেছি। এদিকে আশরাফদের মামলা কাউন্টার দিতে তৎকালীন রানিং কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম মন্ডল তার সম্বন্ধী ও ভাইদের রক্ষা করতে তৎকালীন কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিজের কাউন্সিলর অফিস নিজের লোকদের দিয়ে ভেঙ্গে হরতাল বিরোধী মিছিলকারী আশরাফ উদ্দিন ও তার লোকদের নামে মিথ্যে মামলা প্রদান করে। অবশ্য পরবর্তীতে উভয় মামলা নিস্পত্তি করা হয়েছে। এই ঘটনা থেকেই প্রমানিত হয় বিএনপি-জামাতের নাশকতার বিরোধী করায় ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়ন নেতা আশরাফ উদ্দিন ২০১৩ সাল থেকেই বিএনপি-জামাতের টার্গেটে রয়েছে। তাকে মামলা হামলা দিয়ে হয়রানী করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে জামাত শিবিরের লোকজন। ২০১৩ সালে যারা বিএনপি-জামাতের হরতাল বিরোধী মিছিলে হামলা চালিয়েছিলো তৎকালীন কাউন্সিলর সিরাজ মন্ডলের লোকজন আসলাম, মামুন মন্ডল, কিবরিয়া সক্রিয় হয়ে বর্তমানে আশরাফ উদ্দিনকে হেফাজতের মামলার আসামী বানানোর অপচেষ্টা লিপ্ত রয়েছে বলে জানান আশরাফ উদ্দিন ও আ’লীগ যুবলীগের লোকজন। আর এ কাজে আসলামগংদের সহযোগীতা করছে তাদের সাথে আতাত করা তৎকালীন কিছু পুলিশ যারা বর্তমানেও সরকার বিরোধী কর্মকান্ডে গোপনে কাজ করছেন। এই বিষয়টি আরো পরিস্কার হবে ২০১৩ সালের ৫ই মে চিটাংরোড়ে হেফাজতের তান্ডবে র‌্যাবের দায়ের করা একটি মামলার মাধ্যমে। ২০১৩ সালের ৫ই মে হরতালের তান্ডবের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় র‌্যাব বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় আসামী ছিলেন তৎকালিং রানিং কাউন্সিলর সিরাজ মন্ডলের চাচাতো ভাই সিদ্ধিরগঞ্জ থানা শ্রমিকদলের সভাপতি এসএম আসলাম, আপন ভাই জামাত নেতা মামুন এবং সম্বন্ধি কিবরিয়া। র‌্যাবের এই মামলায় তৎকালীন কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাদের মোটা অংকের টাকা দিয়ে চার্জশীট থেকে কৌশলে নাম বাদ দিয়ে দেয় শ্রমিকদল নেতা আসলাম। কিন্তু আসামী থেকে যায় জামাত নেতা মামুন ও কিবরিয়া। এখনো তারা র‌্যাবের দায়ের করা মামলায় হাজিরা দিচ্ছে। খোজ নিয়ে জানা যায়, যে সকল অসাধু কর্মকর্তা টাকার বিনিময়ে র‌্যাবের মামলা থেকে শ্রমিকদল নেতা আসলামকে বাদ দিয়ে সফল হয়েছিলো তারাই আজ আবার শ্রমিকদল নেতা আসলামের সাথে মিশে ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়ন নেতা স্বাধীন বাংলাদেশ পত্রিকার প্রকাশ আশরাফ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। যে ঘটনায় আশরাফ উদ্দিন জড়িত নয়, সেই ঘটনায় আশরাফ উদ্দিনকে জড়ানোর অপচেষ্টা করছেন। এ ব্যাপারে আশরাফ উদ্দিন বলেন, ২০১৩সালে আমার নেতৃত্বে এসও ্এলাকা থেকে বিএনপি-জামাতের হরতাল বিরোধী মিছিল হয়েছি। সে মিছিলে কারা হামলা চালিয়েছিলো তা সবাই জানে। এই ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলাও হয়েছিলো। যারা আমাকে হেফাজতের মামলার আসামী বানাতে চাইছে তারাই তৎকালীন সময়ে ক্ষমতায় থেকে আমাদের মিছিলে হামলা চালিয়েছিলো। এখন আপনাদের কাছে প্রশ্ন আমি হেফাজতের আসামী হবার কথা নাকি যারা আমার উপর হামলা চালিয়েচিলো, আমাদের আহত করেছিলো তাদেরকে হেফাজতের আসামী হবার কথা। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আ’লীগের যুগ্ন-সম্পাদক বাবু কালিপদ মল্লিক বলেন, ২০১৩ সালে আশরাফের নেতৃত্বে এসও এলাকায় বিএনপি-জামাতের হরতাল বিরোধী মিছিল হয়েছিলো। সে মিছিলে হামলা চালিয়েছিলো বিএনপি-জামাতের লোকজন। পরে রাস্তা অবরোধ হলে আমরা আ’লীগ নেতৃবৃন্দ ও যুবলীগ নেতা মতিসহ পুলিশের লোকজন গিয়ে অবরোধকারী বুঝিয়ে অবরোধ তুলে নিতে সহায়তা করি। আশরাফ সব সময় বিএন পি-জামাত-হেফাজতের নাশকতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে ছিলো। তার বিরুদ্ধে হেফাজতের মামলা ও ওয়রেন্ট ইস্যু ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছু নয়। আমরা এর সুষ্টু তদন্ত দাবী করছি। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা যুবলীগ নেতা ৬নং ওয়ার্ড কমিউনিটি পুলিশিং সদস্য হাজী খন্দকার মানিক মাষ্টার বলেন, আশরাফকে নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করছেন তারা সকলেই জামাত-শিবিরের দোষর। এই চক্রটি ২০১৩ সালে আশরাফের নেতৃত্বে হরতাল বিরোধী মিছিলে হামলা চালিয়ে আমাদের লোকজনকে আহত করেছিলো। আমরা জামাত-শিবিরের দোষরদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য স্থানীয় আ’লীগ নেতা ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।


সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *