ভূলতা ফ্লাইওভারের ময়লার ভাগাড় অপসারন

সংবাদটি শেয়ার করুন:

রূপগঞ্জ প্রতিনিধি
অবশেষে অপসারণ করা হচ্ছে রূপগঞ্জ উপজেলার ভূলতা ফ্লাইওভারের ময়লার ভাগাড়। ভূলতা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নাজিম উদ্দিন মজুমদারের ব্যক্তিগত অর্থায়নে গতকাল শনিবার দিনব্যাপী ফ্লাইওভারের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ময়লার ভাগাড় অপসারণ করা হয়।
জানা যায়, রূপগঞ্জের প্রানকেন্দ্র ভূলতা গাউছিয়ার ঢাকা- সিলেট মহাসড়ক ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। এখানকার যানঝট নিরসনে ৩৫৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে ৪ লেন বিশিষ্ট ভূলতা ফ্লাইওভার। কিন্তু ফ্লাইওভারের সৌন্দর্য হারিয়ে গেছে ফুটপাত ব্যবসায়ীদের ফেলে রাখা ময়লার ভাগারের নীচে। এ ময়লার ভাগাড় যেন সৌন্দর্যকে ম্লান করে দিয়েছে। সারাদিন ব্যবসা করার পর সন্ধ্যায় উচ্ছৃষ্ট অংশ ফ্লাইওভারের পিলার ঘেষে ফেলা হচ্ছে। এভাবে পুরু ফ্লাইওভার জুড়েই ময়লার ভাগাড়ে পরিণত করেছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। এসবের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন প্রকার পচাঁ গলা ফল, তরমুজ, আনারসের খোসা, তালের শাসেঁর বাড়তি আবর্জনা, গেন্ডারির খোসা, পলিথিনসহ বিভিন্ন প্রকার আবর্জনা। প্রতিদিন রাখা আবর্জনা বিরাট ময়লার স্তুপ হয়ে গেলে রাতের কোন এক সময় তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে পানি নিস্কাশনের কয়েকটি পাইপ পুড়ে যায়। আগুনের তাপে পিলারগুলোও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। শুধু তাই নয় পথচারীরা পিলার ঘেঁষে মলমূত্র ত্যাগ করে দূর্গন্ধের সৃষ্টি ও পরিবেশ নষ্ট করছে। ফ্লাইওভার কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের উদাসীনতায় ভূলতা গাউছিয়া এলাকা ডাষ্টবিনে পরিণত হয়েছে বলে মনে করেন এলাকার সচেতন মহল।
ভূলতা ফাঁড়ি ইনচার্জ নাজিম উদ্দিন মজুমদার বলেন, আমি ভূলতা ফাঁড়িতে নতুন যোগদান করেছি। এসেই দেখি ফ্লাইওভারের নীচে ময়লার ভাগাড়। পরিবেশটি আমার কাছে খারাপ লেগেছে। তাই আমার ব্যক্তিগত অর্থায়নে এখানকার আবর্জনা পরিস্কার করছি। আর যাতে কেউ এখানে ময়লা আবর্জনা ফেলতে না পারে সেজন্য স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ করা হবে। মাইকিং করে দোকানদারদের সতর্ক করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এখানে আবর্জনা ফেললে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এসময় তাকে সহযোগীতা করেন, রূপগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক সুন্দর জীবন ক্লাব ও ভূলতা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক টি লিডার রাকিব হাসান।
এ ব্যাপারে ফ্লাইওভারের এক্সিকিউটিভ চিফ ইঞ্জিনিয়ার বিকাশ জানান, এর আগে আমরা ভেকু দিয়ে ময়লার স্তুপ ক্লিন করেছি। ড্রেন পরিস্কার করেছি। এখন স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হলে সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার। এ ব্যাপারে উপজেলা থেকে উদ্যেগ নিতে পারে। তিনি আরও বলেন, এখন আমাদের ভূলতা ফ্লাইওভার প্রজেক্ট কমপ্লিট। তবে আলোচনা চলছে পারমান্যান্ট সলিশনের। মাঝখানের খালি জায়গার সৌন্দর্য্যে বর্ধনে শিঘ্রই পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *