সিদ্ধিরগঞ্জে মাদ্রাসার ছাত্রের আত্নহত্যার ময়নাতদন্তের মাধ্যমে অবশেষে প্রকাশিত সংবাদটি সত্য হলো

সংবাদটি শেয়ার করুন:

স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট:
অবশেষে গত ১৩ মার্চ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদটি সত্য হলো। সংবাদে বীরমুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিনের যে বক্তব্য উল্লেখ করা হয়েছে তা সত্য হয়েছে। কারন ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে এসেছে মাদ্রাসার ছাত্রটি আত্নহত্যা করেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন বলছে, মাদরাসা ছাত্র সাব্বির আত্মহত্যা করেছে। হত্যার কোনো তথ্য ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে নেই বলে জানিয়েছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মশিউর রহমান।
এবার পাঠকদের সুবিধার্থে ১৩ মার্চের সংবাদটি প্রথম অংশ তুলে ধরা হলো:
সিদ্ধিরগঞ্জে ছাত্র হত্যার অভিযোগে কওমি মাদ্রাসার তিন শিক্ষক ও চার ছাত্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার রাতে রসুলবাগ মাঝিপাড়া রওজাতুল উলম মাদ্রাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গতকাল শুক্রবার নিহতের পিতা বাদী হয়ে মামলা করলে দুপুরে তাদের আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ। নিহত ছাত্রের নাম ছাব্বির আহম্মেদ (১৪)। সে রূপগঞ্জ থানার বরপা এলাকার মো: জামাল হোসেনের ছেলে। একজন মাদ্রাসা ছাত্র হত্যার অভিযোগে ৭জন গ্রেফতারে রহস্য সৃষ্টি হয়েছে। মাদ্রাসা জুড়ে সিসি ক্যামেরা থাকার পরও সেদিকে নজর না দেয়ার কারন কি? রুপগঞ্জ থেকে গোদনাইল রসুলবাগ মাদ্রাসায় কেন মাদ্রাসার ছাত্র সাব্বিরকে আনা হলো। ইত্যাদি বিভিন্ন প্রশ্ন সাধারন মানুষের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। সাধারন ধর্মপ্রান মানুষ মনে করছে এটা মাজার পুজারীদের একটি বড় ধরনের চক্রান্ত হতে পারে। কারন কয়েক বছর আগে এই মাদ্রাসার হুজুরদের নেতৃত্বে বহু পুরাতন তিন গাট্টি মাজার ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে। তখন থেকে এই মাদ্রাসার প্রতি মাজার পুজারীদের ষড়যন্ত্র চলছে। তাই মাদ্রাসার সুনাম রক্ষার্থে সাব্বির হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত চায় এলাকার ধর্মপ্রান মানুষ। এই মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সাথে জড়িত ১০নং ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, যে ছাত্রটি মারা গেছে, সে ছিলো মাথার সমস্যা। তার পিতামাতা অতিষ্ট হয়ে তাকে দুরের মাদ্রাসা হিসাবে এখানে ভর্তি করে গেছে। পিতা মাতার সাথে অভিমান করে সে আত্নহত্যা করতে পারে। আপনারা বিষয়টি পুলিশকে জানান নি কেন, এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের মাদ্রাসার অনেক সুনাম রয়েছে। বর্তমানে এই মাদ্রাসার শিক্ষার মান ভালো। তাই সুনামের কথা চিন্তা করে তা জানাইনি।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *