গোদনাইল এনায়েতনগর পশ্চিমপাড়া বায়তুল আমান জামে মসজিদে উন্নয়নমুলক মিটিংকে হেফাজতের মিটিং বলে পুলিশ এনে বানচালের চেষ্টা

সংবাদটি শেয়ার করুন:

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি:
গোদনাইল নাসিক ৮নং ওয়ার্ডস্থ এনায়েতনগর পশ্চিমপাড়া বায়তুল আমান জামে মসজিদে উন্নয়নমুলক মিটিংকে হেফাজতের মিটিং বলে উত্তেজনা সৃষ্টির পায়তারা করেছে একটি দুস্কৃতিকারী চক্র। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশকে ফোন দিয়ে মসজিদের মিটিং বানচাল করার চেষ্টা করে একটি চত্রুটি। ঘটনাটি গতকাল জুম্মার নামাজের পর মসজিদের ভিতরে ঘটেছে। স্থানীয় আ’লীগ যুবলীগ ও গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে মিটিংকে হেফাজতের মিটিং বলে পন্ড করে দেয়ায় এলাকার মুসল্লিদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃস্টি হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপারের নাম ভাঙ্গিয়ে এই চক্রটি এলাকার শান্ত পরিবেশ অশান্ত করার চেষ্টা করছে বলে এলাকার শান্তিপ্রিয় জনগন তাদের প্রতিক্রিয়ায় জানান। এ ব্যাপারে তারা জেলা পুলিশ সুপার ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি’র কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এলাকার মুসল্লিরা তাদের প্রতিক্রিয়ায় জানান, গতকাল জুম্মার নামাজের পর মসজিদের উন্নয়ন, হাফেজদের তারাবীর সম্মানী ভাতাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এলাকার আ’লীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা আলোচনায় বসেন। যাদের মধ্যে ছিলেন, গোদনাইল ইউনিয়ন আ’লীগের প্রচার সম্পাদক সেকান্দার প্রধান, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক সুলতান মাহমুদ, সাংবাদিক কাজী আলমাছ, সুরুজ আলী, আনিসুর রহমান আনিস, সাবেক ব্যাংকার আব্দুল ওহাব তালুকদার, ব্যাংকার মনির হোসেন, ইসলামী আন্দোলন নাসিক ৮নং ওয়ার্ডের সভাপতি সোহেল প্রধান, যুবলীগ নেতা মমিনুল আলম পুষণ, ৮নং ওয়ার্ড শ্রমিকলীগ নেতা আরিফ মাহমুদসহ আরো অনেকে। মিটিং-এর এক পর্যায়ে একটি দুস্কৃতিকারী চত্রু পুলিশের কিলো-৩ এর দায়িত্বপ্রাপ্ত সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআইকে জানানো হয় যে, মসজিদে হেফাজতের মিটিং হচ্ছে। পুলিশ গাড়ী নিয়ে মসজিদে আসলে দেখেন যে মিটিং হচ্ছে কিন্তু তা মসজিদের উন্নয়নের বিষয়ে যেখানে আ’লীগ যুবলীগ শ্রমিকলীগ ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি রয়েছেন। তবে মিটিং কারীদের অনেকের মাস্ক না থাকায় মুসল্লিদের বাসায় যাবার জন্য পুলিশ অনুরোধ জানান। এদিকে পুলিশ উপস্থিত মুসল্লিদের জানান, তিনি মসজিদের পাশ দিয়ে যাবার সময় হৈ চৈ শুনতে পেয়ে এসেছেন। এখানে অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে তাই আমি সবাই বাসায় চলে যাবার অনুরোধ করছি। এদিকে মুসল্লিরা ক্ষিপ্ত হয়ে জানান, আমরা মসজিদের উন্নয়নে এখানে মিটিং করছি তা পুলিশ জানলো কিভাবে। পুলিশকে কে ভুল বুঝিয়েছে যে এখানে হেফাজতের মিটিং হচ্ছে। আমাদের সুন্দর সমাজকে একটি চক্র ধ্বংস করতে চাইছে। আমরা আ’লীগ যুবলীগ শ্রমিকলীগ নেতারা হেফাজত করিনা। যারা জামাতের সাথে জড়িত যারা পুলিশের নাম ভেঙ্গে এলাকায় পরিবেশ অশান্ত করতে চাইছে তারাই হেফাজত করে। আমরা এ ব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপারের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এ ব্যাপারে সাংবাদিক আলমাছের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, মসজিদ নিয়ে অনেকদিন ধরে দ্বন্ধ চলে আসছে। তাই মসজিদে যাতে কোর অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য পুলিশ এসেছিলো। মসজিদের অনেক মুসল্লিদের মুখে মাস্ক ছিলোনা তাই পুলিশ কর্মকর্তা সকলকে বাসায় চলে যেতে বলেছেন। অনেক মসজিদ থাকতে এনায়েতনগর মসজিদে পুলিশ কেন এ প্রশ্নের জবাবে মসল্লিরা বলেন, পুলিশ এখানে আপনে আপনি আসে নাই। পুলিশকে আনা হয়েছে। পুলিশকে জানানো হয়েছে এখানে হেফাজতের মিটিং চলছে। এভাবে ভুল তথ্য দিয়ে পুলিশ আসায় পরবর্তীতে পুলিশ ভুর বুঝতে পেরে চলে গেছেন।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *