কাশিপুর ইউনিয়নে ৩৬৮০ টি পরিবার পেল প্রধানমন্ত্রীর উপহার

সংবাদটি শেয়ার করুন:

স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট:
সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফ সহায়তা হতদরিদ্র ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে নগদ ৪৫০ টাকা করে প্রদান কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরিফা জহুরা। তিনি উপস্থিত হয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হতদরিদ্র ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে নিজ হাতে টাকা তুলে দেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) সকালে কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে এই অনুদানের কর্মসূচি উদ্বোধন করেন ইউএনও।
এদিকে কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এম সাইফউল্লাহ বাদলের আহবানে ইউনিয়নের লোকজন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদ উপহার গ্রহনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিষদে হাজির হন। পরে সুন্দর পরিবেশে ইউএনও সকলের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া উপহার নগদ টাকা তাদের হাতে তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার আনোয়ার হোসেন, সদর উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা অফিসার প্রদীপ চন্দ্র রায়, কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী, প্যানেল চেয়ারম্যান-২ শমীম আহম্মেদ, ইউপি সদস্য শামীম আহম্মেদ, এমদাদুল হক খোকা, মেজবাউল হক পলাশ, আমির হোসেন, খোকন, রিমা আক্তার, সচিব বাহাউদ্দিন প্রমুখ।
ইউএনও আরিফা জহুরা বলেন, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসাবে সারা দেশের মানুষকে নগদ ৪৫০ টাকা করে প্রদান করেন। সারা দেশের ন্যায় নারায়ণগঞ্জে হতদরিদ্র ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ভিজিএফ সহায়তা প্রদানে ১০ কেজি করে চাল পরিবর্তে নগদ টাকা প্রদানে পদক্ষেপ গ্রহন করেন।
প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে এ বছর করোনা ভাইরাসে মানুষের হাতে নগদ টাকা না থাকার কথা চিন্তা করে চালের পরিবর্তে প্রত্যেককে নগদ সাড়ে ৪’শ টাকা করে দেয়া পদক্ষেপ গ্রহন করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদক্ষেপকে আমরা বাস্তবায়ন করছি মাত্র।
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটাই লক্ষ্য দেশের মানুষ না খেয়ে থাকবে না। সেই চিন্তা করে কর্মহীন ও অসহায় মানুষকে নানা ভাবে সহায়তা করে যাচ্ছেন।
সরকারের কর্মসূচি গুলো বাস্তবায়নে আমরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছি। কাশিপুর ইউনিয়নে ৩৬৮০ টি পরিবারকে সাড়ে ৪’শ করে টাকা প্রদান করা হয়।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *