কনডেম সেলে সাত খুনে দণ্ডপ্রাপ্ত সেই তিন কর্মকর্তা

সংবাদটি শেয়ার করুন:

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:
নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত র‌্যাব-১১ এর তিন দাপুটে কর্মকর্তার দিন কাটছে কারাগারের নির্জন কনডেম সেলে। কারাগারের নিয়ম অনুযায়ী তারা পান একটি থালা, একটি বাটি, তিনটি কম্বল ও একটি বালিশের সুবিধা। ঘুমাতেও হয় মেঝেতে।
কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দর সরকারসহ সাতজনকে অপহরণের পর খুনের ঘটনায় ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত র‌্যাব-১১ এর তৎকালীন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল তারেক সাঈদ ও কমান্ডার এম মাসুদ রানার স্থান হয়েছে কাশিমপুর ২ নম্বর কারাগারের কনডেম সেলে। আর মেজর আরিফকে রাখা হয়েছে কাশিমপুর-১ কারাগারে। যদিও কারাজীবনের শুরুর দিকে বেশ দাপুটে আচরণ ছিল তারেক সাঈদের। ২০১৬ সালের দিকে বিশেষ সুবিধায় বেশ কিছুদিন ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৪৩ নম্বর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কেবিনে। সেখানে নিয়ম ভেঙে ল্যাপটপ ও মোবাইল ব্যবহার করতেন তিনি। তার সাথে দেখা করারও সুযোগ ছিল অনেকের। পরে এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে তাঁকে কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
কারা সূত্র জানায়, এখন তাঁদের আর আগের মতো দাপট নেই। কনডেম সেলে বেশিরভাগ সময়ই চুপচাপ থাকেন। কম্বল দিয়ে সেলের মেঝেতে ঘুমাতে হয় তাঁদের। খাবারও দেওয়া হয় সাধারণ বন্দিদের মতোই। কখনো কখনো জুটে শক্ত রুটি। এসব খেলেও তাঁরা কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখান না।
২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে অপহৃত হন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজন। শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ৩০ এপ্রিল ছয়জনের ও ১ মে অন্যজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *