একদিন বলছে স্বেচ্ছাসেবক দল, আরেক দিন বলছে যুবদল নেতা ॥ আসলে সব অপপ্রচার আশরাফ উদ্দিনকে নিয়ে যুগের চিন্তায় ভুল তথ্য প্রকাশ ## মিথ্যে সংবাদে থানা যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাদের চ্যালেঞ্জ

সংবাদটি শেয়ার করুন:

বিশেষ প্রতিবেদক :
ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ পত্রিকার প্রকাশক ও বাংলাদেশ ট্যাঙ্কলরি শ্রমিক ইউনিয়ন রেজি নং বি-১৭৫৩ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক উদীয়মান শ্রমিক নেতা আশরাফ উদ্দীনকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের প্রথম শ্রেনীর স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা যুগের চিন্তায় একেক দিন একেক রকম ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে মানুষকে করছে বিভ্রান্ত করছে। অদক্ষতা আর ভুল তথ্যের কারনে পত্রিকাটি ইতিমধ্যে তাদের জনপ্রিয়তা হারাতে বসেছে বলে ক্ষোভের সাথে সিদ্ধিরগঞ্জের সাধারন মানুষ তাদের প্রতিক্রিয়ায় জানান। কি সেই ভুল তথ্য তা খোজতে গিয়ে দেখা যায়, গত ২২ এপ্রিল দৈনিক যুগের চিন্তা পত্রিকায় দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ পত্রিকার প্রকাশক আশরাফ উদ্দিনকে একটি সংবাদে স্বেচ্চাসেবকদল নেতা বলে উল্লেখ করেছেন অপরদিকে গত ২দিন ধরে আবার একটি সংবাদে যুবদল নেতা বলে প্রচার করছেন যা একেবারেই বিভ্রান্তকর ও অদক্ষ সাংবাদিকতার পরিচয়। প্রকৃতপক্ষে তারা ঘটনাস্থলে না গিয়ে আশরাফ উদ্দিনের সাথে কথা না বলে শুধু মাত্র একটি ষড়যন্ত্রকারী চক্রের পালায় পড়ে বিভ্রান্তকর ও অসত্য সংবাদ পরিবেশন করে আসছেন। একটি দায়িত্বশীল পত্রিকায় এ ধনের সন্ধানহীন বিভ্রান্তকর সংবাদ সিদ্ধিরগঞ্জবাসীকে হতাশ করেছে। যুগের চিন্তা সম্মানীয় সম্পাদক ও সাংবাদিকদের ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রকৃত তথ্য জেনে সঠিক ও র্নিভুল সংবাদ পরিবেশন করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ পত্রিকার প্রকাশক আশরাফ উদ্দিন।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি বিএনপি নেতা শামসুল হক ওরফে পুলিশ সামছুল দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ পত্রিকার প্রকাশক ও বাংলাদেশ ট্যাঙ্কলরি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক উদীয়মান শ্রমিক নেতা আশরাফ উদ্দীনকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের গত ২২এপ্রিল দৈনিক যুগের চিন্তায় প্রকাশিত সংবাদ ও মিথ্যে অপপ্রচারের কঠিন জবাব দিয়েছেন। গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সাংবাদিকদের নিকট তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ও দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ পত্রিকার প্রকাশক আশরাফ উদ্দীনকে নিয়ে একটি পত্রিকায় “মামলা থেকে বাঁচতে মতির ঘাড়ে ভর” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের একটি অংশে “সুমিলপাড়া স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আশরাফ” বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এটা সত্য নয়। সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। আশরাফ কোনোদিনও বিএনপির বা তার অঙ্গসংগঠনের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন না। এটা আমি সাংবাদিকদের নিকট চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বললাম। বিএনপি সরকার যখন ক্ষমতায় ছিলো তখন আশরাফের বয়স ১৫ কি ১৬ হবে। তখন সে স্কুল কলেজের ছাত্র। বিএনপিতে তাঁর কোনো পদ নেই বা বড় কোন মিছিল মিটিংয়ে কারও সাথে তাঁর কোনো ছবি নেই। গতকাল সিদ্ধিরগঞ্জ থানা যুবদল নেতা জুয়েল, ৬নং ওয়ার্ড যুবদল নেতা রনি তাদের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আশরাফ উদ্দিন কখনো যুবদলের সাথে সম্পৃক্ত ছিলো না। আমাদের কমিটিতে তার কোন নাম নেই। আমরা যতটুকু জানি সে একজন ব্যবসায়ী। কোন রাজনীতির সাথে পূর্বে জড়িত ছিলোনা। বর্তমানে আছে কিনা তা আমাদের জানা নেই। তাই তাকে নিয়ে তথ্য প্রমাণ ছাড়া কোনো কথা বলা ঠিক না। এলাকার একটি কুচক্রী মহলের যাদের প্রধান কাজই হলো বিভ্রান্তি ছড়ানো। আর তাই যাচাই বাছাই করে সাংবাদিকদের সত্য তুলে ধরা উচিত বলে তিনি জানান। এ ব্যাপারে শ্রমিক নেতা আশরাফ বলেন, আমাকে কখনো যুবদল আবার কখনো সুমিলপাড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি হিসেবে উল্লেখ করে মিথ্যে অপপ্রচার করা হয়েছে। আমি জাতীর বিবেক সাংবাদিকদের নিকট জানতে চাই আমি বিএনপি’র কোন পদে আছি তা আপনারা দেখান। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন আমার বয়স কত ছিল সেটা আগে বের করেন। তিনি বলেন আমি বিএনপি করেছি কেউ দেখাতে পারবে না। আমি কখনও বিএনপির ছত্রছায়ায়ও ছিলাম না। বিএনপিতে আমার কখনও কোন পদ ছিল না, এখনও নাই।’ আর বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল আমি তখন কলেজের ছাত্র। আমার বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। এসময় কোন দলের সাথে আমি জড়িত ছিলাম না বরং আমার পুরো পরিবার আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত বলে বিএনপি-জামাত চার দলীয় সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে আমার পরিবারের ওপর অনেক হামলা নির্যাতন হয়েছে। আমার বাবা আদমজীর প্রয়াত শ্রমিকনেতা রেহান সাহেবের সাথে রাজনীতি করতেন। ২০০৪ সালে সিদ্ধিরগঞ্জের বিএনপি নেতাদের ইন্ধনে র‌্যাব আমার বাসায় তল্লাশি চালায় আমাকে গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে। আমাকে না পেয়ে আমার বাবাকে নিয়ে যায় এবং ৫ দিন আটক করে রাখে । তিনি আরও বলেন, একাধিক মামলার আসামী সিরাজুল ইসলাম মন্ডল বিএনপি’র সময় সাবেক সংসদসহ বিএনপি নেতাদের সাথে হাত মিলিয়ে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছে। জিয়ার মাজার জিয়ারত করেছে। তাঁর পিতার মৃত্যু বার্ষিকীতে বিএনপি’র সাবেক এমপিকে দাওয়াত দিয়ে খাইয়েছে। আর বিএনপি’র আমলে আমরা ছিলাম এলাকা ছাড়া। অথচ আজ আমাদেরকে বিএনপি’র লোক বলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। কুচক্রী মহলের ইন্দনে শামীম ওসমান অনুসারীদের টার্গেট করা হচ্ছে। যুবলীগ নেতা রুহুল আমিন রনি, ইকবাল হোসেন সহ যারা দিন-রাত আওয়ামীলীগের জন্য কাজ করছেন তাদের চরিত্র হননের মিশনে নেমেছে একটি চক্র। আমি এর নিন্দা জানাই। সাংবাদিক ভাইদের সত্য তথ্য সংগ্রহ করে সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ জানাই।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *