সরকার ঘোষিত সর্বাত্মক লকডাউনে ৬ষ্ঠ দিনে না.গঞ্জ পুলিশ কড়াকড়ি অবস্থানে

সংবাদটি শেয়ার করুন:

শহর প্রতিনিধি:
সরকার ঘোষিত সর্বাত্মক লকডাউনের ৬ষ্ঠ দিনে নারায়ণগঞ্জ শহরে অন্যদিনের তুলনায় কড়াকড়িভাবে পুলিশ দায়িত্ব পালন করলেও বিপাকে পড়েছে পা চালিত রিকশাচালকেরা। গতকাল সোমবার(১৯ এপ্রিল)নারায়ণগঞ্জ শহরের গুরুত্ব পয়েন্টগুলোতে পুলিশের দায়িত্ব পালনকালে দেখা যায় এ চিত্র। দেখা যায় অন্য ৪দিনে ঢিলাঢালাভাবে পুলিশ নারায়ণগঞ্জ জেলার ৩০টি পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করলেও অন্যদিনের তুলনায় আজ পুলিশের তৎপরতা ছিলো বেশি।শহর পথ ডুকতে চাষাড়া মোরে সকল গাড়ী(অটো রিকশা,মিশুক,অটো,প্রাইভেট কার)কোথায় যাওয়া হচ্ছে প্রশ্ন করা হয় এবং প্রাইভেট কারগুলো থেকে মুভমেন্ট পাশ দেখতে চাওয়া হয়।যারা নির্দিষ্ট কারন দেখাতে পারছে এবং মুভমেন্ট পাশ দেখাতে পারছে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।আর যারা সুনির্দিষ্ট কারন বলতে পারছে বাহিরে আসার নিরুৎসাহিত করে ফেরত পাঠানো হয়। অন্যদিকে পুলিশ তৎপরতা বিপাকে পড়েছে পা চালিত রিকশাগুলো।যাত্রীরা বাহিরে বের হবার সুনির্দিষ্ট কারন বলতে পারলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে কিন্তু রিকশাগুলোকে উল্টে রাখা হয়।এভাবে চাষাড়া মোড়ে প্রায় বিশটি রিকশা উল্টে রাখতে দেখা যায় পা চালিত। এমনি পা চালিত এক রিকশা চালক আব্দুল করিম এগিয়ে বলেন,মা স্যারদের বলেন আমার রিকশাটা ছাইড়্যা দিতে।সকাল থেকে এইখানে রিকশা আটকাইয়া রাখছে।চানমারি থাইক্কা বিশ টাকার একটা ক্ষেপই দিছি।তারপর থাইক্কা স্যারেরা আমার রিকশাডারে আটক্কাইয়া রাখছে এহন দুপুর হইয়া গেছে।গ্যারেজে গিয়া কি দিমু আর বউ পোলা মাইয়াগ লাইগা কি খাওন নিয়া যামু। তিনি কেঁদে আরো বলেন, সরকার তো আমগো গরীবের পেটে লাথি মারতাছে।আমরা তো সরকারের কাছে চাইল ডাইল কিচ্ছু চাই না।দুইদিন পর রিকশা চালাইতে আইছি ঘরে একটা চাইল নাই কি খামু।মরন ছাড়া আমগো আর কোন উপায় থাকবো না এমনে যদি চলতে থাকে। অন্য আরেক রিকশাচালক রফিক বলেন,আমরা পায়ে যারা রিকশা চালাই তারা সরকারের কাছে,পুলিশের কাছে কি দোষ করছি খালি আমগো রিকশাই আটকাইয়া রাখছি।ওই যে মিশুক যাইতাছে,অটো যাইতাছে তাদের তো ছাইড়া দিতাছে পুলিশ তাইলে আমরা কি দোষ করছি?আমরা পায়ে রিকশা চালাই আমরা মানুষ না? রিকশা আটকিয়ে উল্টে করে রেখে দেবার কারন এক পুলিশ সদস্যর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান,যারা সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেছে তাদের রিকশা উল্টে রাখা হয়েছে কিন্তু কিছুক্ষণ পরে ছেড়ে দেওয়া হবে তাদের রিকশা।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *