কাঁচপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ লকডাউনে মহাসড়কে কঠোর অবস্থান

সংবাদটি শেয়ার করুন:

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ঢাকা-চট্টগ্রাম ও সিলেট মহাসড়ক একটি গুরুত্বপূর্ন সড়ক।কাঁচপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ লকডাউনে মহাসড়কে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে বুধবার ১৪ এপ্রিল থেকে সপ্তাহব্যাপী কঠোর লকডাউনে দেশ।এমতবস্থায় কোন গাড়ী ‘মুভমেন্ট পাস’ ছাড়া রাস্তায় বাইরে বের হতে পারবে না । কাঁচপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ ৯০ কিলোমিটার আওতাধীন মহাসড়কে মদনপুর বাস স্ট্যান্ড ব্যারিকেট দিয়ে প্রতিটি গাড়ী চেক করা হচ্ছে।লকডাউনের প্রথম প্রহর হতে হাইওয়ে পুলিশ ও কমিউনিটি পুলিশ সদস্যরা রাস্তায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
এদিকে কাচঁপুর হাইওয়ে থানা আফিসার ইনচার্জ (ওসি )মনিরুজ্জামান বলেন, সর্বাত্মক লকডাউনে জরুরি প্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের হওয়া যাবে না ,মহাসড়কে চলাচলের জন্য ১৪টি শ্রেণিতে ‘মুভমেন্ট পাস’ দেবে পুলিশ। মুদি দোকানে কেনাকাটা, কাঁচা বাজার, ওষুধপত্র, চিকিৎসা কাজে নিয়োজিত, কৃষিকাজ, পণ্য পরিবহন ও সরবরাহ, ত্রাণ বিতরণ, পাইকারি বা খুচরা ক্রয়, পর্যটন, মৃতদেহ সৎকার, ব্যবসা ইত্যাদি ক্যাটাগরিতে দেয়া হবে এই ‘মুভমেন্ট পাস’ নিয়ে রাস্তা বের হতে পারবে।, যাদের একান্ত বাইরে যাওয়া প্রয়োজন হবে, তাদের জন্য মুভমেন্ট পাসের ব্যবস্থা করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। এক স্থান থেকে অন্যস্থানে যাতায়াতের জন্য অফিশিয়াল কিংবা জরুরি প্রয়োজনে ‘মুভমেন্ট পাস’ নেয়া লাগবে। তবে এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের এই পাস নেয়া লাগবে না।
তিনি আরো বলেন, লকডাউনে কোন ধরনের অবৈধ ভাবে কোন প্রকার গাড়ী মহাসড়ক-রাস্তাাঘাট এবং বাইরে দেখতে চাই না। বিনা প্রয়োজনে কাউকে মহাসড়কে দেখতে চাই না। এ বিষয়ে কাঁচপুর হাইওয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান আরো বলেন, আমার থানা আওতায় যেসব মহাসড়ক রয়েছে সেসব মহাসড়কে আমার হাইওয়ে পুলিশ সদস্যরা ও কমিউনিটি পুলিশ কাজ করছে। সড়কে কোন ধরনের পার্কিং অথবা অবৈধ পরিবহন চলাচল করলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। কাঁচপুর থানা পুলিশ মানুষের সেবা দিয়ে যাবে। গুরুত্বপূর্ন এ মহাসড়ক সব সময় আমাদের কঠোর নজরদারীতে রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তোরণের প্রধান উপায় হচ্ছে ব্যক্তিগত সচেতনতা। আমাদের অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। তাছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *