শহর জুড়ে অটো, মিশুকে বিশাল রাজত্বে যানজটে ভোগান্তিতে নগরবাসী

সংবাদটি শেয়ার করুন:

শহর প্রতিনিধি:
করোনার মহামারিতে গত ৫ এপ্রিল থেকে সরকার ঘোষিত লকডাউনে নারায়ণগঞ্জ শহরে বেড়েছে অটো, মিশুকের পরিমান সেই সাথে সৃষ্টি হচ্ছে বিশাল যানজট।যার ফলে যাত্রী ও পথচারী হচ্ছে ভোগান্তি শিকার।অন্যদিকে প্রশাসন বলছে লোকবল স্বল্পতার কারনে ট্রাফিক ব্যবস্থায় কন্ট্রোলে হচ্ছে একটু ব্যাঘাত যার ফলে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাড়া,দুই নং রেলগেইট,কালিবাজার,মেট্রো,নিতাইগঞ্জ,মন্ডলপাড়া,পঞ্চবটি,পুলিশ সাইন,শিবু মার্কেট, ঝালকুড়ি,সাইনবোর্ড, শিমরাইল,ঢাকিশ্বরী,ভূলতা,কাঞ্চন,রুপসী সহ একাধিক রোডে দেখা যাচ্ছে তীব্র থেকে তীব্র যানজট। এর আগে হাইওয়ে রোডে ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ভিতরে অটো, ব্যাটারি চালিত রিকশা,মিশুক চালানো বন্ধ থাকলেও গত ৫ তারিখের লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ হওয়ায়র সুযোগে হাইওয়ে রোডে ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ভিতরে অটো, ব্যাটারি চালিত রিকশা,মিশুক ডুকে পড়েছে।এছাড়াও করোনার মহামারিতে নারায়ণগঞ্জ শহরে অধিক পরিমান বেড়েছে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও মিশুকের সংখ্যা।এক জরিপে দেখা গেছে অনেকে ব্যবসায় লোকসান হয়ে নিজের জমানো টাকা বা স্ত্রীর গহণা বিক্রি করে নতুন ব্যাটারিচালিত রিকশা বা মিশুক কিনছে।এর ফলে গণপরিবহনের তুলনায় শহরের প্রধান সড়কগুলোতে দেখা যাচ্ছে বেশি অটো রিকশা ও মিশুক।এতে বেড়ে গেছে যানজট। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের অন্যতম ব্যস্ত স্থান চাষাড়ার বঙ্গবন্ধু সড়ক,সলিমুল্লাহ সড়ক,নারায়ণগঞ্জ কলেজ রোড সড়কে ফুটপাতের রাস্তা দখল করে হকারদের বসার ফলে আরো সৃষ্টি হয়ে যানজট।নারায়ণগঞ্জ কলেজ রোড সড়কে এক পাশে বাস দখল করে রেখেছে রাস্তা অন্য পাশে হকারা করে রেখেছে দখল যেখানে গাড়ী তো দূরের কথা পথচারীদের চলাচলে হয়ে পরেছে ধূষ্কর। অতিরিক্ত মাত্রায় শহরে যানজট বৃদ্ধি পাওয়ার মূল কারন কি? এবং সিটি এলাকা গুলোতে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও মিশুক ডুকার কারন সম্পর্কে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মোঃকামরুল ইসলাম জানান,করোনার কারনে অটো, ব্যাটারি চালিত রিকশা,মিশুক বেড়ে গেছে।আর গত ৭ দিনের লকডাউনে আরো বেশি হাইওয়ে রোডে ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ভিতরে অটো, ব্যাটারি চালিত রিকশা,মিশুক বেড়ে গেছে। হঠাৎ করে হাইওয়ে রোডে ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ভিতরে অটো, ব্যাটারি চালিত রিকশা,মিশুক বেড়ে যাওয়াতে ট্রাফিক পুলিশ কেনো নিরব ভূমিকা পালন করছে এই বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন,বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলায় ট্রাফিক পুলিশের ৮৫ জন।এই ৮৫ জন দিয়ে প্রতিদিন নারায়ণগঞ্জ শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে ২ বেলা কাজ করা আমাদের জন্য অনেকটা কঠিন হয়ে পড়েছে।আমাদের লোকবল কম থাকার কারনে শহরে সৃষ্টি হওয়া যানজট নিরসনে অনেকটা হিমশিম খেতে হচ্ছে।যেখানে আমাদের যে পরিমান লোকবল থাকার কথা সেখানে সে পরিমান লোকবল দিতে পারছি না।তাছাড়া নারায়ণগঞ্জ জেলার মত একটা শিল্প এলাকায় যে পরিমান অলিগলি সেখানে আমাদের এই পুলিশ সদস্যদের কাজ করতেও অনেকটা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ছে।এই সুযোগটাকেই কাজে লাগাছে অটো, ব্যাটারি চালিত রিকশা,মিশুক চালকরা। জানা গেছে নারায়ণগঞ্জ জেলার মধ্যে ৮৫ জনের মধ্যে মোট সার্জেন্ট ১৩ জনের মধ্যে ৩জন করোনায় আক্রান্ত,১জন অফিসে এবং বাকি ৯জন পুরো জেলার দায়িত্ব থাকেন।এছাড়া নারায়ণগঞ্জে ৬টি পয়েন্ট চাষাড়া,পঞ্চবটি,সাইনবোর্ড-শিমরাইল,ভূলতা,কাঞ্চন,রুপসী ৬টি রেকার থাকে।অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার নারায়ণগঞ্জ জেলায় পুলিশ সদস্য বৃদ্ধির আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *