শহরের বড় বড় মার্কেট গুলোতে নেই কোন স্বাস্থ্যবিধি তারপরও উপচে পড়া ভীড় ক্রেতাদের

সংবাদটি শেয়ার করুন:

শহর প্রতিনিধি:
সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে শপিংমল,মার্কেট খোলার নির্দেশনা থাকলেও, তা না মেনেই নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে পুরোদমে চলছে পহেলা বৈশাখ ও ঈদের কেনাকাটা। সীমিত সময়ে কেনাকাটার সুযোগে সামাজিক দূরত্বের বালাই নেই কোথাও।সেই সাথে বসানো হয়নি কোন জীবাণুনাশক টানেল বুথ।অন্যদিকে ক্রেতারা বলছে সামনে কঠোর লকডাউন তাই আগে থেকেই সব কিনে রাখছে।আর বিক্রেতারা বলছেন গত বছরের লকডাউনে অনেকটা বেকায়দায় পড়েছে তারা। গতকাল সোমবার (১২ এপ্রিল)সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মার্কেট ঘুরে দেখা যায় এ চিত্র শহরের বিভিন্ন মার্কেটে।পোশাকের দোকানে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে কেনাকাটা করছে। কেউ স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। সকাল থেকে শহরের হক প¬াজা,মার্ক টাওয়ার,সমবায় মার্কেট,জামান টাওয়ার,পানোরামা প-াজা,ওয়াহিদ প¬াজা,নারায়ণগঞ্জ প¬াজা,ফেন্ডস মার্কেট,নুরুল ইসলাম রেলওয়ের মার্কেট, রিভারবিউ,ওয়ালী সুপার মার্কেট,সোনার বাংলা মার্কেট,টোকিও প¬াজা,আজহার সুপার মার্কেট,দেলোয়ার মার্কেট,করিম সুপার মার্কেট,আজাদ সুপার মার্কেটের পোশাকের দোকানসহ বিভিন্ন দোকানে নারী-পুরুষের ভিড় দেখা গেছে। স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে কেনাবেচা হচ্ছে। মাস্ক ছাড়া অভিভাবকদের সঙ্গে শপিংমলে ঘুরছে শিশুরা। কোনো কোনো দোকানিরও মুখে মাস্ক দেখা যায়নি। নগরীর লুৎফা টাওয়ার,সায়াম প¬াজা,জ্যোৎস্না ট্রেডার্স মার্কেট আর শপিংমলের সামনে জীবাণুনাশক টানেল বুথ বসানো হলেও নগরীর অন্যান্য বৃহৎ মার্কেট হক প¬াজা,মার্ক টাওয়ার,সমবায় মার্কেট,জামান টাওয়ার,পানোরামা প¬াজা,ওয়াহিদ প¬াজা,নারায়ণগঞ্জ প¬াজা,ফেন্ডস মার্কেট,নুরুল ইসলাম রেলওয়ের মার্কেট, রিভারবিউ,ওয়ালী সুপার মার্কেট,সোনার বাংলা মার্কেট,টোকিও প¬াজা,আজহার সুপার মার্কেট,দেলোয়ার মার্কেট,করিম সুপার মার্কেট সহ একাধিক মার্কেটে নেই কোন জীবাণুনাশক টানেল বুথ,সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা এমনকি হ্যান্ডস্যানিটাইজারের ব্যবস্থা। তবে প্রত্যেকটি মার্কেটের সামনে নির্দেশনা অমান্য করে পার্কিং করা হয়েছে।বিক্রেতাদের অনেকেই মুখে মাস্ক পরিধান না করেই করছে বেচাকেনা।এছাড়াও অন্যসব নিয়মই যেন লাপাত্তা। দোকানের সামনে নেই শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে ডিসট্যান্স মার্কিং। বিক্রেতারা ব্যস্ত বিক্রি নিয়ে।ক্রেতারা কোথা থেকে আসছেন, নগর নাকি অন্য উপজেলার তার খোঁজ করছে না কেউ। পরিস্থিতি বলে দিচ্ছে কোথাও ঠিকভাবে মানা হচ্ছে না কোন স্বাস্থ্যবিধি।এদিকে মার্কেটের বাহিরের সড়কগুলোতে দেখা দিয়েছে যানজট। সমবায় নিউ মার্কেটে কোন প্রকার স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই চলছে বেচাকেনা কেনো এবং গত বছরের অকেজো জীবাণুনাশক টানেল সচল করার কোন ব্যবস্থা না করার কারন সমবায় নিউ মার্কেট দোকান মালিক ও ব্যবসায়ী বহুমূখী সমবায় সমিতি লিঃ সভাপতি খাজা এবায়দুল হক টিটুর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি গত ৮ মাস আগে সংগঠন থেকে অবসর নিয়েছি।তবে কথাটা শুনে আমি খুবই মর্মাহত।সরকারি ঘোষিত সকল বিধি নিষেধ মেনেই দোকান খোলা উচিত ক্রেতাদের সুরক্ষার স্বার্থে।এখনো কেনো তারা ক্রেতাদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে জীবাণুনাশক কোন টানেলের ব্যবস্থা করে নাই সেটা নিয়ে আমি বর্তমান কমিটির সাথে কথা বলবো। এ বিষয়ে বর্তমান সমবায় নিউ মার্কেট দোকান মালিক ও ব্যবসায়ী বহুমূখী সমবায় সমিতি লিঃ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুর রউফের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় শুনে লাইনটি কেটে ফোন বন্ধ করে দেন। নারায়ণগঞ্জ শহরে কিছু মার্কেট বাদে বাকি সব দোকান,মার্কেট ও শপিংমলে কোন স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই খোলা হচ্ছে কেনো এবং ক্রেতাদের ঝুঁকিতে রেখে চলছে কেনাবেচা এই বিষয়ে দোকান মালিক সমিতি নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি ও আজাদ সুপার মার্কেট ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মোঃশারজাহান মিয়া বলেন,সরকারের আইনের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল।কিন্তু সরকারই তো আইন নিয়ন্ত্রন করতে পারছে না।শুধু বাড়বার কেনো আমাদের কথাই বলা হচ্ছে।কাঁচাবাজার অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে তো কোন স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না।আর আপনে দেখেন রাস্তায় বের হলেই ৬০% মানুষ মাস্ক ব্যবহার করছে না।কিন্তু আমরা আমাদের প্রতিটি মার্কেট ও দোকানের কর্মকর্তা,কর্মচারী, মালিকদের বলা হয়েছে মাস্ক ব্যবহার করতে।তারা সর্ব প্রকার সচেতনাতা মেনেই বেচাকেনা করছে।তারপরও আমি আবারো সকল মার্কেট ও দোকান প্রতিষ্ঠানকের কর্মকর্তা,কর্মচারী, মালিকদের কাছে অনুরোধ করবো আপনেরা নিজেরা মাস্ক ব্যবহার করুন আর যে সকল ক্রেতা মাস্ক ব্যবহার করে দোকানে আসবে তাদের কাছে কোন কিছু ক্রয় করবেন না। অন্যদিকে জেলা প্রশাসন স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।চলছে শহরে ঘুরে একাধিক মোবাইল কোর্টও। ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতাদের নির্দেশনা মেনে চলতে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।তারপর মার্কেট ও শপিংমল গুলোতে দেখা যাচ্ছে এই করুন চিত্র।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *