গনসংহতি আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলনে নিহত প্রত্যেক পরিবারকে ১০লাখ প্রদানে দাবী

সংবাদটি শেয়ার করুন:

শহর প্রতিনিধি:
শীতলক্ষ্যা নদীতে লঞ্চডুবির ঘটনায় নিহত প্রত্যেক পরিবারকে ১০লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ ও লঞ্চ মালিককে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবীতে গনসংহতি আন্দোলন সংবাদ সম্মেলন করে। গতকাল বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল)বিকেল ৩টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের ৬য় তলায় নারায়ণগঞ্জ টিভির কার্যালয়ে গনসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার আয়োজনে করা হয় এ সংবাদ সম্মেলনটি। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, সংগঠনের নারায়ণগঞ্জ জেলার সমন্বয়ক তরিকুল সুজন, দপ্তর সম্পাদক পপি রানী সরকার সংবাদ সম্মেলনে তাদের সাত দফা দাবি তুলে ধরেন।
সাত দফার অন্যতম দাবিগুলো হলো, শীতলক্ষ্যা নদীর দুই তীরের দখলদারদের উচ্ছেদ করে নৌপথ উদ্ধার, মালবাহী এবং যাত্রীবাহী নৌযানের জন্য নদীতে পৃথক লেন তৈরি, অতীতে গঠিত তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ বাস্তবায়ন ও লঞ্চডুবির ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে দোষিদের শাস্তি নিশ্চিত করা। লঞ্চডুবির এই ঘটনাকে কাঠামোগত হত্যাকান্ড দাবি করে জোনায়েদ সাকি বলেন,‘লঞ্চডুবির কারণ অনুসন্ধান করলে দেখা যাবে এতগুলো মৃত্যুর সঙ্গে ওই কার্গো চালকের পাশাপাশি নদী পথের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বিআইডবি-উটিএ কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতার সম্পর্ক রয়েছে।’ শীতলক্ষা নদী দখল করে নদী পথ সঙ্কোচন, ঘটনাস্থলে নির্মাণাধীন সেতুর মাঝামাঝি সরু চ্যানেলে ট্রাফিক সিগন্যাল না রাখা এবং লঞ্চমালিকদের দাবি অনুযায়ী যাত্রীবাহী লঞ্চ ও পণ্যবাহী নৌযানের জন্য আলাদা লেন তৈরি না করায় বিআইডবি¬উটিএ কর্তৃপক্ষ এই মৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। সাকি আরো বলেন, ‘এমন সব ঘটনার তদন্ত হয় তবে সেসব তদন্ত প্রতিবেদনে থাকা সুপারিশ বাস্তবায়িত হয় না। লঞ্চ ডুবির এই ঘটনা নিছক দুর্ঘটনা নয় বরং বিআইডবি-উটিএ সহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিক ব্যর্থতার ফল হিসেবে কাঠামোগত হত্যাকান্ড।’ এ সময় তিনি এঘটনায় জড়িত কার্গো মালিক ও বিআইডবি¬উটিএ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিহত প্রত্যেকের জন্য দশ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ আদায়ের দাবি জানান। পাশাপাশি শীতলক্ষ্যা নদীতে নৌচলাচল নিরাপদ করতে তাদের সাত দফা বাস্তবায়নেরও দাবি জানান সাকি।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *