সিদ্ধিরগঞ্জ এসও মেঘনা ডিপো সংলগ্ন ফিরোজের চোরাই তেলের গোডাউনে ভয়াবহ আগুন

সংবাদটি শেয়ার করুন:

স্টাফ রির্পোটার:
নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে গড়ে তোলা সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এসও মেঘনা ডিপো সংলগ্ন ফিরোজের জায়গায় গড়ে উঠা চোরাই তেলের গোডাইনে ভয়াবহ আগুন সংঘঠিত হয়েছে। গত সোমবার দুপুরে গোদলাইল এসও মেঘনা ডিপু সংলগ্ন এলাকায় এ আগুনের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে আদমজী ফায়ার সার্ভিসের ৩’টি ইউনিট প্রায় ১’ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদশৃন করে। ডিপোর ৩’শ গজের ভিতরে কোন তেলের গোডাইন কিংবা দোকান না থাকার নির্দেশ থাকলেও ফিরোজের সাথে পার্টনার হয়ে দেলোয়ার ও রিফাত অবৈধভাবে গড়ে তুলে এই গোডাউন।
স্থানীয় এলাকাবাসীরা জানায়, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার গোদনাইল এসও রোড এলাকায় মেঘনা ডিপোর পেছনে চোরাই জ্বালানী তেল ব্যবসায়ী ফিরোজের মালিকাধানী জায়গায় তার দুই পার্টনার দেলোয়ার ও রিফাত সম্মলিতভাবে গড়ে তোলা গোডাউনে ভয়াবহ আগুন লাগে। আগুনে মজুদকৃত তেলের ড্রামগুলো বাষ্ট হয়ে পার্শবর্তী ৩’টি বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। এসময় এলাকায় ও ডিপোর ভেতর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এই ঘটনায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এদিকে ডিপোর ভেতরে সংরক্ষিত পানি না থাকলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতো বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। পরে আদমজী ইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের ৩’টি ইউনিট প্রায় ১’ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন। ওই গোডাউনে অবৈধভাবে অকটেন, পেট্রোল-ডিজেল, মবিলসহ বিভিন্ন রকম জ্বালানি তেল মজুদ ছিলো। স্থানীয় এলাকাবাসীরা আরো জানায়, আগুনের ভয়াবহতায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে আদমজী ইপিডেজের ৩’টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। তবে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ট্যাংকলড়ীর জ্যামের কারণে বিলম্বে ঘটনাস্থলে পৌছে। তবে মেঘনা ডিপোর ভেতর রিজার্ভ (সংরক্ষিত) পানি দিয়ে আগুন নেভানো কাজ করা হয়। ফলে স্থানীয়রা আগুন অনেকটা নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসে। ডিপোর ভেতর আগুনের কোন দূর্ঘটনা ঘটলে যাতে পানি ব্যবহার করা যায় তাই এই পানি সংরক্ষিত রাখা হয়েছিল। ওই পানি না থাকলে আগুনে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা ছিল। কারণ আগুনে সংগঠতি হওয়া গোডাউন থেকে ডিপো দ্রুত্ব ২০’থেকে ৩০’গজ। আদমজী ইপিজেডের ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার রুহুল আমিন মোল্লা জানান, হঠাৎ গোডাউনে আগুন লেগে পাশের তিনটি বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। আমাদের তিনটি ইউনিট প্রায় এক ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আসতে সক্ষম হয়। তিনি আরও বলেন, তদন্ত ছাড়া আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমান বলা যাবে না। স্থানীয়রা জানায়, রাতের আধারে শীতলক্ষ্যা নদীর জাহাজ থেকে তেল চুরি করে ওই গোডাইনে মজুদ করা হয়েছিল। বেশ কয়েক মাস আগে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে তেলের গোডাউনটি বন্ধ করে দিয়েছিল। বর্তমানে আবার চালু হয়েছে। চোরাই তেল ব্যবসায়ী ফিরোজ মিয়া সুমিলপাড়া আইলপাড়া জামে মসজিদ কমিটির একটি পদে রয়েছেন।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *