লৌহজংয়ে জনকণ্ঠ সম্পাদক আতিকউল্লাহ খান মাসুদের মৃত্যুতে শোকের ছায়া

সংবাদটি শেয়ার করুন:

মুন্সীগঞ্জ জেলা সংবাদদাতা :
দৈনিক জনকণ্ঠের সম্পাদক ও প্রকাশক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আতিকউল্লাহ খান মাসুদের আকষ্মিক মৃত্যুতে তাঁর জন্মস্থান মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মেদিনীমণ্ডল গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এলাকায় তিনি মাসুদ খান নামে পরিচিত ছিলেন।
১৯৫১ সালের ২৯ আগস্ট তিনি মদিনীমণ্ডল গ্রামের বিখ্যাত খান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সাবেক মন্ত্রী, সাবেক বিমানবাহিনী প্রধান এয়ারভাইস মার্শাল কেএম আমিনুল ইসলামের ভাতিজা ও সেক্টর কমান্ডার লে. কর্নেল (অব.) এম হামিদুল্লাহ খানের (বীরপ্রতীক) ছোট ভাই। আতিকউল্লাহ খান মাসুদ মুন্সীগঞ্জ অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মুন্সীগঞ্জ-২ (লৌহজং-টঙ্গীবাড়ি) আসনের সাংসদ সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি, লৌহজং উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান ওসমান গণি তালুকদার, ভাইস চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন তপন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিনা ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রশিদ শিকদার, যুগ্ম সম্পাদক মেহেদী হাসান ও বিএম শোয়েব, লৌহজং উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হুমায়ুন কবির, লৌহজং প্রেস ক্লাব, টঙ্গীবাড়ি প্রেস ক্লাব, লৌহজং উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, টঙ্গীবাড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী সভাপতি জগলুল হালদার ভুতু, মেদিনীমণ্ডল ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফ হোসেন, কনকসার ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, লৌহজং উপজেলা যুবলীগ সভাপতি আলমগীর কবির খান, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান খান সাজু, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফরহাদ হোসেন ইমন ও সাধারণ সম্পাদক অনয় হাসান বেপারীসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। জনকণ্ঠ সম্পাদক আতিকউল্লাহ খান মাসুদ ২০০৬ সালের ১৭ জানুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন। তবে তার আগে ১১ জানুয়ারি সেনাবাহিনী জরুরী অবস্থা জারি করে নির্বাচন বাতিল করে দেয়।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *