1. admin@dailysadhinbangladesh.com : admin :
  2. sowkat.press@gmail.com : Sadhin Bangladesh : সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি
১৭ ই ডিসেম্বর চালু হতে যাচ্ছে চিলাহাটি হলদিবাড়ী রেলযোগাযোগ, চিলাহাটিতে সাজ সাজরব - দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ
বুধবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৪:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পত্রিকার হকারদের সাথে দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ পত্রিকার পরিচালনা কমিটির মতবিনিময় কাঠেরপুল নয়, যেন মরণফাঁদ,পাকা ব্রিজের দাবি এলাকাবাসীর বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে নবনির্বাচিত কনকসার আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধাঞ্জলী লৌহজংয়ে মুজিববর্ষে ১৪৩ গৃহহীন পরিবারকে জমি ও ঘর দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারায়ণগঞ্জে ১৪ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ২ বেজগাঁও ইউপি নিবার্চনে নৌকার মাঝি হতে চান ইলিয়াছ আহমেদ মোল্লা আধুনিক পৌর ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যয়,সাজ্জাত হোসেন গাজী সাগর সবার আগে আমি ভ্যাকসিন নেব: অর্থমন্ত্রী মাদক থেকে দূরে থাকার নির্দেশনা দিয়েছে ইসলাম মুসলিম দেশগুলোর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলেন বাইড

১৭ ই ডিসেম্বর চালু হতে যাচ্ছে চিলাহাটি হলদিবাড়ী রেলযোগাযোগ, চিলাহাটিতে সাজ সাজরব

ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৯৬ বার পঠিত

বাংলাদেশের চিলাহাটি ও ভারতের হলদিবাড়ীর মধ্যে দীর্ঘ ৫৫ বছর পর আগামী ১৭ই ডিসেম্বর দুই দেশের প্রধান মন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যেমে রেল যোগাযোগ উদ্ভোধন করা হবে,এ নিয়ে এলাকার মানুষের আনন্দের সীমা নেই,এই দিনটির জন্য সবাই অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছে।

দেশের উত্তরঞ্চলের নীলফামারী জেলা থেকে ৪৪ কি.মি এবং ডোমার উপজেলা থেকে ১৮ কি.মি উত্তরে সীমান্ত ষ্টেশন চিলাহাটি অবস্থিত । চিলাহাটি থেকে ভারতের হলদিবাড়ী দুরত্ব প্রায় ১১ কি.মি বাংলাদেশের সীমানা প্রায় ৬.৭২৪ কি.মি,ব্রিটিশ আমলে এই রেলপথ ১৮৬২ সালে দর্শনা হতে জগতি পর্যন্ত ৫৩.১১ কি.মি ব্রডগ্রেজ রেল লাইন নির্মানের মধ্যে দিয়ে এ অঞ্চলের রেলের যাত্রা শুরু হয়। ১৮৭৪ হতে ১৮৭৯ সালের মধ্যে সাঁড়া (পাকশির কাছে) হতে চিলাহাটি পর্যন্ত মিটারগেজ এবং দামুকদিয়া হতে পোড়াদহ পর্যন্ত ব্রডগ্রেজ লাইন নির্মিত হয়। ১৯০৯ পোড়াদহ হতে ভেড়ামারা পর্যন্ত দ্বৈত লাইনে রুপান্তর করা হয়,১৯১৫ সালে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ চালুর মধ্যে দিয়ে দর্শনা চিলাহাটি রেল যোগাযোগ প্রতিষ্ঠীত হয়। ১৯২৪ সালে শান্তাহার হতে পার্বতীপুর পর্যন্ত এবং ১৯২৬ সালে পার্বতীপুর হতে চিলাহাটি মিটিরগ্রেজ রেল লাইন ব্রডগ্রেজ রুপান্তর করা হয়। এই সময় শিয়ালদহ ও শিলিগুড়ির মধ্যে শান্তাহার পাবর্তীর চিলাহাটি হয়ে ডার্জিলিং ও নর্থবেঙ্গল এক্সপ্রেস নামে দ্রুতগতির ট্রেন চালু করা হয়। রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই রূটটি তখন ব্যাকবোন হিসাবে বিবোচিত হয়। লিংটি চালু না থাকায় দুই দেশের বিশাল জনগোষ্ঠী রেলওয়ের সেবা হতে বঞ্চিত হয় এবং ব্যাবসা বাণিজ্যে পিছিয়ে পড়ে।
বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার আন্তঃআঞ্চলিক যোগাযোগের মাধ্যেমে ব্যবসা বাণিজ্যে ও পর্যটন খাতের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাছে। সেই লক্ষে বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে ৮ টি ইন্টারচেঞ্চ পয়েন্টের মধ্যে ৪টিতে রেলের সংযোগ স্থাপিত হয়েছে। চিলাহাটি এ রেল পথে মংলা পোর্ট হয়ে ভারতের উত্তর পূর্ব অংশ নেপাল এবং ভুটানের মধ্যে আমদানী ও রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যোগাযোগের অবকাঠামোর উন্নয়নের ক্ষেত্রে ব্যবসা বাণিজ্যে জোরদার করা হবে এবং ভারত বাংলাদেশের মধ্যে নতুন যাত্রী ও পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করবে বলে জানা গেছে ।
বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে ট্রেন চলাচল করতো যাহা ১৯৬৫ সালের আগে চালু ছিল। ১৯৬৫ সালে যু্েদ্ধর সময় রেল যোগযোগ বন্ধ হয়ে যায়। চিলাহাটিতে এমিগ্রেশন কাস্টম সমাপ্ত করে চিলাহাটি থেকে হলদিবাড়ীর মধ্যে একটি পার্সপোট ট্রেন যাত্রীদের নিয়ে যাওয়া আসা করতো। ১৯৬৫ সালে রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরও পাসপোট ধারী যাত্রীদের যাতায়াতের জন্য উভয় দেশে কাস্টম ও এমিগ্রেশন চালু ছিল, যাহা ২০০৪ সালে ভারত বন্ধ করে দেয়। চিলাহাটি রুটে পার্স্েপাট ধারী যাত্রীদের যাতায়াত শুরু হয় ১৯৫৩ সাল থেকে এর অনেক পরে বুড়িমারি,হিলি,বিরল ও বাংলাবান্ধা চালু হয় অনেক বছর পর কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ চিলাহাটি হলদিবাড়ী রুট ১৪ বছর ধরে অজ্ঞাত কারনে বন্ধ হয়ে আছে যাহা আগামী ২০২১ সালে ২৬ শে মার্চ পার্সপোটধারী যাত্রীরা আবার যাতায়াত করবে পারবে বলে সরকারী একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী এই সংবাদ জানান।
২০১৫ সালে নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠীত ওহফরধ-ইধহমষধফবংয ওহঃবৎ-এড়াবৎসসবহঃধষ জধরষধিু গববঃরহম (ওএজগ) চিলাহাটি হলদিবাড়ীর মধ্যে রেললাইন নির্মানে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সেই লক্ষে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন কাজ চলছে। এ নির্মান প্রকল্পে প্রায় ৮০ কোটী টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্টান ম্যাক্স ইনফ্রাসট্রাকচার লি. এই প্রকল্পে কাজ করছে। চিলাহাটি ষ্টেশনে অবস্থিত পুরনো অবকাঠামো ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। ষ্টেশনের পাসে অবস্থিত ব্রিটিশ আমলে খনন কৃত ৬ টি পুকুর বালু দিয়ে ভরাট করে রেলের প্রায় ১৫ একর জমি উদ্ধার করে বাড়ী ঘর অবকাঠামো সরিয়ে ফেলা হয়। চিলাহাটি রেল ষ্টেশনকে একটি পূর্ণাঙ্গ এ গ্রেট ষ্টেশন করতে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছে। প্রায় ৫ একর নিচু জমিতে বালু দিয়ে ভরাট করে বাউন্ডারি ঘেরা হয়। ষ্টেশনের সামনের অংশ ভেঙ্গে নতুন করে গাজীপুরের কালিয়াকৈ ষ্টেশনের মডলে এই ষ্টেশন নির্মান করা হচ্ছে। ষ্টেশনের পাশে দ্বিতল ভবন রেষ্ট হাউজ নির্মান করা হয়েছে এবং পুরো এলাকা ওয়াল ঘেরা হয়েছে।
এই প্রকল্পের মুল কাজ রেলপথ নির্মান ৬.৭২৪ কি.মি নতুন রেলপথ নির্মান (লুপলাইন) ২.৩৬ কি.মি,মাইনার ব্রিজ নির্মান করা হয়েছে ৭টি লেবেল ক্রসিং গেট, ২টি কালার লাইট সিগন্যালিংসহ টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেম প্রবর্তন ১টি ষ্টেশন। এ্যাপ্রোচ রোড ১১০০ বর্গমিটার,রেস্ট হাউজ (দ্বিতল)১টি অন্যান্য স্থাপনর মধ্যে ইমিগ্রেশন ও কাস্টম হাউজ বিল্ডিং,টিএক্সআর অফিস,এ্যাটেনডেন্ট ব্যারাক ও মেশিনরুম সহ যাবতীয় কার্য্যক্রম প্রায় ৮০ ভাগ সমাপ্তির পথে। চিলাহাটি হলদিবাড়ির মধ্যে রেলযোগাযোগ অত্র এলাকার তথা নীলফামারী জেলা মানুষের র্দীঘ দিনের সপ্ন বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। এই রেলপথ যোগাযোগ এই এলাকার মানুষের সার্বিক কল্যান ও উন্নতি বয়ে নিয়ে আসবে,হাজারো শ্রমিকের কর্ম সংস্থান হবে,ব্যবসা বানিজ্যে প্রসার লাভ করবে। উন্নতি হবে চিলাহাটি এলাকার উন্নতি হবে আপামর জনসাধারনের। তাই আজ চিলাহাটি তথা নীলফামারী জেলার আনাচে কানাছে আনন্দের ছোয়া লেগেছে অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছে চিলহাটি বাসী আগামী ১৭ ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ ভারত রেলযোগাযোগ দিনটি ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৫-২০২০ দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ
কারিগরি Theme Park BD